
নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের গবেষণা সম্প্রসারণ ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাদারীপুরে শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শহরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের হলমুমে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির। ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরআইর পরিচালক (গবেষণা) ড. ফারুক আহমেদ, পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) ফরিদপুরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. খয়ের উদ্দিন মোল্লা এবং বরিশালের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুরের ডাল গবেষণা কেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. সেলিম আহম্মেদ, বাংলাদেশ পরমাণুু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গোপালগঞ্জের মো. হারুনুর রশীদ, ডিএই বরগুনার অতিরিক্ত উপপরিচালক সি এম রেজাউল করীম, বিএআরআই পটুয়াখালীর উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এইচ এম খাইরুল বাশার প্রমুখ।
কর্মশালয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানের কর্মমর্তা এবং কৃষক মিলে ৮০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ডাল মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তাই এর আবাদ বাড়ানো দরকার। এক্ষেত্রে বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে যথেষ্ট সুযোগ রয়েছ। এসব এলাকার পতিত এবং চরাঞ্চলগুলোকে চাষের আওতায় আনা হলে ডালের আমদানিনির্ভরতা কমবে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, গত বছর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে ১১ মেট্রিক টন ডাল ফসলের বীজ কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে দুই অঞ্চলে ডালের উৎপাদন আশানুরুপ বেড়েছে।



