
রাজশাহী সংবাদদাতা: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ‘’Assrssing climate Risks and Implementation of Adaptation Measures in the Agricalture with a Module on design of Gender Sensitive Value Chain and Agribusiness Linkage” শীর্ষক দুই দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ (০৮-০৯ মার্চ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় এবং Bullding Climate Resilient Livelihoods in Vulnerable Landscapes in Bangladesh project in Department of Environment এর আওতায় অতিরিক্ত পরিচালক রাজশাহী অঞ্চল এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ডিরেক্টর রাজিনারা বেগম এর সভাপত্বিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ড. মো. আজিজুর রহমান অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চল, রাজশাহী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালকের দপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোছা. সাবিনা বেগম।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের জমাট বাধা বরফ এবং হিমালয় পর্বতের বরফ দ্রুত গলে যাচ্ছে। ফলে সাগরের উচ্চতা বেড়ে উপকূলের নিচু এলাকা ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে। কার্বন ও মিথেন গ্যাসের প্রভাবে গ্রিনহাউজ উতপ্ত হয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশ বিপন্ন হওয়ার সম্মূখীন হয়েছে। শীতকাল সংক্ষিপ্ত হওয়া, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চল মরুকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রে এর প্রভাবে প্রকৃতিক দূর্যোগের মত বন্যা, খরা, অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির ফলে উৎপাদিত ফসল বিনষ্ট হওয়ায় কৃষক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কৃষকের মাঝে ছরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কৃষকের উন্নয়নে কাজ করার অনুরোধ জানান।
সভাপতি তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য হচ্ছে। গ্রিনহাউজ কার্বনের আধিক্যের কারণে ভূখন্ডের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও গবাদিপ্রাণি ঝুকিতে রয়েছে। অতি খরার মত প্রকৃতিক দূর্যোগে মাছ চাষে প্রতিবন্ধকতা গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগীর রোগবালাই বৃদ্ধির কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তিনি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা সংগে প্রশিক্ষন গ্রহনের অনুরোধ জানান। সফল ভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি মন্ত্রনালয়ের বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিগণ মোট ৫০ জন অংশ গ্রহন করেন।



