
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর খামারবাড়ীতে ফিসারিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ফ্যাব) আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কৃষি ও মৎস্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ফিসারিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি কৃষিবিদ মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার এবং ফ্যাব এর উপদেষ্টা কৃষিবিদ খন্দকার হাবিবুল আরিফ। এছাড়া সংগঠনের মহাসচিব কৃষিবিদ মো. গিয়াসউদ্দিন সরকার জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আসলাম ফকির লিটন এবং দপ্তর সম্পাদক কৃষিবিদ মো: রাশেদুজ্জামান দিপু সহ ফ্যাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী কৃষি ও মৎস্য খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই করতে ফিসারিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তারা দেশের নদ-নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব জলাশয় পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিরাপদ করা সম্ভব হবে। এতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের জনগণের আমিষ চাহিদা পূরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরও বলেন, ফ্যাব মূলত জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একটি পেশাজীবী সংগঠন, যা মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংগঠনের প্রতিটি সদস্যই মৎস্য বিজ্ঞানে স্নাতক হওয়ায় তারা পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
এসময় দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলোকে গবেষণার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করে চাষযোগ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে দেশের নদী ও জলাশয় রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, তাঁর পরিবার এবং দেশের মানুষের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিস্ট শক্তির উত্থান না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
প্রায় চার শতাধিক অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থলের হলরুম কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়।



