
বিশেষ সংবাদদাতা : সিলেট বিভাগের সেরা ছয় জন প্রতিযোগী ঢাকা যাচ্ছেন গ্রান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং ইউ.এস. সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল (ইউএসএসইসি) এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রোটিন কুকিং চ্যালেঞ্জ-২০২৬ এ সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন হিউবার্ট লামিন।
আজ রবিবার(৯ আগস্ট) সিলেট প্যারাডাইস ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় মোঃ ইয়াহিয়া, তৃতীয় ফ্লেমিং প:তাম, চতুর্থ তাহরিমা আফরিন, পঞ্চম মোঃ কাউসার আহমেদ এবং ষষ্ঠ প্রেইজি সিনহা এমি হয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন বিপিআইসিসি এর সেক্রেটারি এ.টি.এম. মোস্তফা কামাল।
সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পর্যায়ের এই ৬জন বিজয়ী পরবর্তীতে ঢাকায় গ্রান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণ করবেন। গ্রান্ড ফিনালেতে থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন- বাংলাদেশের স্বনামধন্য সেফ টনি খান, রন্ধন বিশেষজ্ঞ রহিমা সুলতানা রিতা এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের নিউট্রিশনিস্ট ইশরাত জাহান। অনুষ্ঠানের ব্রডকাস্ট পার্টনার জিটিভি।
এই আয়োজন কেবল খাদ্যপ্রেমীই নয়, বরং পুষ্টি ও নিরাপদ প্রোটিন বিষয়ে সচেতনতা সকল মহলের নজর কেড়েছে। আয়োজন ভিড় জমেছিল সৌখিন রন্ধনশিল্পী, গবেষক, নীতিনির্ধারক, প্রশিক্ষণার্থী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের। বিপিআইসিসির সেক্রেটারি বলেন, প্রোটিন শুধু একটি খাদ্য নয়, এটি মানুষের অধিকার। মানুষের এই অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। এ সময় তিনি মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রোটিনের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।
পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান যিনি সয়াবিনকে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী প্রোটিনের উৎস হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রোটিনের নিরাপত্তা, খাদ্যাভাস ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
কোষ তৈরিতে প্রোটিনের ভূমিকা অ্যত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিনের অন্যতম উৎস মুরগির মাংস, ডিম এবং সয়াবিন। সাধারণ মানুষ যেন তাঁর প্রয়োজনীয় পুষ্টি মুরগির মাংস, ডিম ও সয়াবিন থেকে সংগ্রহ করতে পারে, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার জন্য এ আয়োজন।



