
ফরিদপুর সংবাদদাতা: ফরিদপুরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০ টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (এডিএই) ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি সরেজমিন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (উপকরণ) মো. রওশন আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক, মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাবলু কুমার সূত্রধর, অধ্যক্ষ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ফরিদপুর ; ড. গৌর গোবিন্দ দাস, এডিশনাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, পার্টনার প্রকল্প।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ফরিদপুর অঞ্চলের পার্টনার প্রকল্পের, সিনিয়র মনিটরিং অফিসার, মো. হাফিজ হাসান।
পার্টনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনার প্রকল্পের, এডিশনাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, ড. গৌর গোবিন্দ দাস।
উপজেলা পর্যায়ে প্রেজেন্টেশন করেন ভেদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার, তাহমিনা আক্তার।
জেলা পর্যায়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), মো. রইচ উদ্দিন ।
বারটান প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মো. শরিফুল ইসলাম; ধান গবেষনা ভাঙ্গার আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন; মসলা গবেষণা উপকেন্দ্র ফরিদপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মো. আশিকুল ইসলাম;বিএডিসি ফরিদপুরের উপপরিচালক (বীজ) সৈয়দ কামরুল হক।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন পার্টনার প্রকল্পের আওতায় উপজেলা ভিত্তিক কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করাই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের ১০ লাখ হেক্টর জমিতে ফল ও সবজি, জলবায়ুসহিষ্ণু ধানের জাত, দানাশস্য ফসল, ডালফসল, তেলফসল ও উদ্যান ফসল আবাদের এলাকা বাড়বে। একইসাথে উন্নত আধুনিক সেচ এলাকাও বৃদ্ধি হবে এবং উপস্থিত সবাইকে ফলজ ঔষুধি বৃক্ষ রোপন করার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের দুই শতাধিক কর্মকর্তাসহ কৃষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।



