
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে উচ্চমানের রঙিন মুরগির বাজার সম্প্রসারণ ও স্থানীয় উৎপাদন শক্তিশালী করতে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের স্বনামধন্য জেনেটিক্স প্রতিষ্ঠান সাসো হেনড্রিক্স জেনেটিক্স গ্রুপ (Sasso Hendrix Genetics Group) এবং দেশের শীর্ষ পোলট্রি প্রতিষ্ঠান কাজী ফার্মস। এ অংশীদারিত্বের আওতায় দেশে একটি আধুনিক গ্র্যান্ড প্যারেন্ট (জিপি) প্রকল্প চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সাসো জাতের প্যারেন্ট স্টক উৎপাদন করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে ধীরগতিতে বেড়ে ওঠা উচ্চমানের রঙিন মুরগির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। স্বাদ, মাংসের গুণগত মান ও খামার উপযোগিতার কারণে এ ধরনের মুরগি এখন ভোক্তা ও খামারিদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই বাজারে বর্তমানে নেতৃত্ব দিচ্ছে সাসো। নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে দেশের বাজারে মানসম্পন্ন রঙিন মুরগির সরবরাহ আরও বাড়বে এবং খামারিরা সহজে উন্নত জেনেটিক্স সুবিধা পাবেন।

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) রাজধানীর অভিজাত একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, কাজী ফার্মসের পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, সাসো হেনড্রিক্স জেনেটিক্সের জেনারেল ম্যানেজার লরেন্ট সালেস, গ্লোবাল সেলস ডিরেক্টর মার্ক পেরো, কান্ট্রি ম্যানেজার মো. মাহিউদ্দিন এবং টেকনিক্যাল ম্যানেজার ডা. আলী হায়দারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তারা জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের জেনেটিক্স, উৎপাদন দক্ষতা ও বায়োসিকিউরিটি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে দ্রুত সেবা, উন্নত মানের বাচ্চা সরবরাহ এবং গ্রাহক সহায়তা আরও জোরদার করা হবে।
কাজী ফার্মসের সঙ্গে সাসোর সম্পর্ক প্রায় ১৮ বছরের। দীর্ঘদিনের এই সহযোগিতার ভিত্তিতেই নতুন এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উৎপাদন অবকাঠামো ও স্থানীয় বাজার সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতার কারণে কাজী ফার্মসকে এ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে সাসো হেনড্রিক্স জেনেটিক্স গ্রুপ।
বাংলাদেশে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ‘সাসো বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠানও চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে খামারিদের প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক সহায়তা আরও বাড়ানো হবে।
যৌথ বিবৃতিতে দুই প্রতিষ্ঠান জানায়, “বাংলাদেশে রঙিন মুরগির বাজার অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এই অংশীদারিত্ব স্থানীয় খামারিদের জন্য উন্নত জেনেটিক্স সহজলভ্য করবে এবং দেশের পোলট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”



