
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রাণিসম্পদ ও অ্যাকুয়াকালচার খাতে প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নি এবং নিজেদের ব্যবসার ধরন আরো যুগোপযোগী করতে কোম্পানির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে দেশের প্রাণিস্বাস্থ্য সেবা খাতের স্বনামধন্য কোম্পানি এসিআই অ্যানিমেল হেলথ। ফলে উল্লেখিত খাতের অভিজ্ঞ করপোরেট ব্যাক্তিত্ব জয়ন্ত দত্ত গুপ্তকে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক (Executive Director) এবং অ্যানিমেল হেলথ বিজনেসের প্রধান (Head of Animal Health Business) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তিন দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞ এই পেশাজীবীর নেতৃত্বে এসিআই অ্যানিমেল হেলথের উদ্ভাবন, বাজার সম্প্রসারণ এবং খামারমুখী সেবার পরিধি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত এর আগে টানা ২৭ বছর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসিতে কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার এবং অ্যাগ্রোভেট ও ক্রপ কেয়ার বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাজার উন্নয়ন, সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পণ্যের সফল বাণিজ্যিকীকরণ এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক শিল্পে তাঁর নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা সুপরিচিত।
ফার্মেসিতে স্নাতকোত্তর (এম.ফার্ম) এবং ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রিধারী জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট বিষয়েও বিশেষায়িত এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। করপোরেট পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির কৌশল নির্ধারণে তাঁর অভিজ্ঞতা এসিআই অ্যানিমেল হেলথের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত বলেন, “এসিআইতে ফিরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার প্রধান অগ্রাধিকার হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে খামারিদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং আমাদের অংশীজনদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি করা।”
খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, প্রাণিস্বাস্থ্য সুরক্ষা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। এ বাস্তবতায় জয়ন্ত দত্ত গুপ্তের নেতৃত্ব এসিআই অ্যানিমেল হেলথের গবেষণা ও উদ্ভাবন, নতুন পণ্য উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকসেবাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ ও অ্যাকুয়াকালচার খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির উন্নয়নেও আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।



