
নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান বলেছেন, মেলা শুধু দেখার জিনিস নয়। শিক্ষণীয় আছে অনেক। আর সেটা যদি কৃষি মেলা হয়, তাহলে এর গুরুত্ব্ আরো বেশি। কেননা, সেখানে প্রদর্শিত পণ্য, ফসলের জাত এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। এগুলো মাঠে প্রয়োগ করলে উৎপাদন বাড়ে আশানুরূপ। তিনি আজ সোমবার (০৪ এপ্রিল) নগরীর খামারবাড়িতে কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টি মেলা উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা সবুজ ও সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে চাই; যেখানে থাকবে শস্যভান্ডারে ভরপুর। তা অবশ্যই কৃষিবিদ এবং কৃষকের মেধা- শ্রমের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে। চাষিরা রোদে পুড়েন। বৃষ্টিতে ভেজেন। ওই মাঠে খান। ওখানেই ঘুমান। তাইতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষকের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে কৃষক কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচি অন্যতম। এ সরকার কৃষকের পাশে আছে। পরে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এর এক পর্যায় প্রশাসক কৃষাণ-কিষাণীদের হাতে গাছের চারা বিতরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহম্মাদ আশিক ইকবাল খান, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার শেখ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন প্রমুখ।
ডিএই আয়োজিত তিন দিনের এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত চলবে। কৃষি তথ্য সার্ভিসের সৌজন্যে মেলার বিশেষ আকর্ষণ কৃষিবিষয়ক চলচ্চিত্র প্রদর্শন। মেলায় ১২ টি স্টল স্থান পায়। এখানে প্রদর্শিত পণ্য দেখে দর্শকের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। ৭ মে মেলা শেষ হবে।



