
নিজস্ব প্রতিবেদক: অর্থ সচিব অর্থ বিভাগ ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেছেন, টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। একটি কল্যাণ মূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণকে পেনশন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তিকরণ বিশেষভাবে প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন ১৮ বছরের অধিক বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সমূহ প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতায় অন্তর্ভুক্ত করা গেলে সুসংগঠিত সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সেমিনার ও ওয়ার্কশপ আয়োজনসহ সকল গোষ্ঠিকে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে সভা আয়োজনের জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এছাড়া কার্যকর যোগাযোগ কৌশল তৈরীর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি অর্থ বিভাগের সকল সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
গত শনিবার (০৯ মে) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে “জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক’ এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় “সর্বজনীন পেনশন স্কিম” বাস্তবায়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং নিরসনের লক্ষ্যে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বিভিন্ন স্কিমসমূহ, স্কিমের যৌক্তিকতা, বৈশিষ্ট্য, বিনিয়োগ ও নিবন্ধন তথ্য, চ্যালেঞ্জসমূহ, আগামী ২ মাসের কর্মপরিকল্পনা, বিধিমালা সংশোধনসহ সার্বিক বিষয় আলোচিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অংশগ্রহনকারীগণ কম আয়ের জনগোষ্ঠীকে স্কিমসমূহে জড়িত করার গুরুত্বারোপ করেন। এলক্ষ্যে দেশে-বিদেশে সরকারি অফিস এবং মিশন সমূহকে প্রচারনায় অংশগ্রহণে যুক্ত করার বিষয়ে তাগিদ দেন। পেনশন স্কিমসমূহ আরও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনেরও সুপারিশ করেন।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: সুরাতুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দিলরুবা শাহীনা, যুগ্মসচিব ড. মো: ফেরদৌস আলম, শরীফ নজরুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসান এবং মহাব্যবস্থাপক ড. মো: আশরাফুজ্জামান।



