Monday 17th of June 2024
Home / অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য / বাণিজ্যিক ফুল চাষ সম্প্রসারণে যশোরে হবে টিস্যু কালচার সেন্টার

বাণিজ্যিক ফুল চাষ সম্প্রসারণে যশোরে হবে টিস্যু কালচার সেন্টার

Published at জানুয়ারি ৬, ২০২০

গাজীপুর : বাণিজ্যিক ফুল চাষ সম্প্রসারণের লক্ষে যশোরে একটি টিস্যু কালচার সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সোমবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)এ  “কৃষক-উদ্যোক্তা : বাণিজ্যিক কৃষির উদীয়মান চালক শীর্ষক” সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী নব নির্মিত ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন করেন।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য, তা নাহলে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের উপযুক্ত মুল্য পাবেনা। কৃষক এই পেশায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। তাই নিয়মিত বাজার পরিদর্শণ অব্যাহত রাখতে হবে। উৎপাদক হতে ভোক্তা পর্যন্ত কৃষি পণ্যের দামের তারতম্য বেশি হওয়ার কারণ বের করতে হবে, তাহলেই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যাবে। এই এক বছরে আমরা কে কি করেছি তার হিসেব সবাইকে দিতে হবে।

তিনি বলেন, আগাম বৃষ্টির কারণে পেয়াজের উৎপাদন কম হয়েছে; সময় মত পেয়াজের উৎপাদন ও চাহিদা এবং ঘাটতি নিরুপন করে তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানালে তারা ব্যবস্থা নিতো। কৃষির সাফল্যে আত্ম তুষ্টির কোন কারন নেই, কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ করতেই হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষক প্রয়োজনে বা লাভের জন্য নানা রকমের মুল্যবান ফসল আবাদ করছে,এখন আমাদের দায়িত্ব কৃষককে লাভবান করা এর জন্য বাজার সৃষ্টি করা ও রপ্তানি করা।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, মাশরুম চাষ কেন বৃদ্ধি পাচ্ছেনা? রপ্তানিতে কি সমস্যা বলতে হবে। কৃষকের কাছে যেতে হবে এবং বাজার সৃষ্টি করতে হবে। বাজারজাত না করতে পারলে কোন উৎপাদনই  টেকসই হবে না। দেশে এখন শান্তিময় পরিবেশ বিরাজ করছে, তবে কেনো আমরা স্ব স্ব আবস্থানে দেশ সেবায় ভূমিকা রাখব না। সবাইকে আন্তরিকতা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

কৃষি সচিব বলেন, সময়ের সাথে সাথে পেশার মর্যাদার পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের কৃষকরা সবচেয়ে বেশী উৎপাদন করে ধান, তাই ধান বা চাল রপ্তানি না করা হলে কৃষক উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। আমাদের চাষ পদ্ধতি সমলয় করতে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে উৎপাদন খরচও কমবে।

নাটা’র মহাপরিচালক ড. মো. আবু সাইদ মিঞার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আব্দুল মূঈদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমিরেটাস প্রফেসর ও প্রাক্তন ভিসি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ড. এম. এ সাত্তার মন্ডল।

This post has already been read 2106 times!