Tuesday 18th of June 2024
Home / ফসল / বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে কৃষক প্রশিক্ষণ

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে কৃষক প্রশিক্ষণ

Published at জুন ৩, ২০১৮

বিজ্ঞানী ড. কে.এম. খালেকুজ্জামান: রবিবার (৩ জুন) মসলা গবেষণা কেন্দ্র, শিবগঞ্জ, বগুড়ায় ”মসলা জাতীয় ফসলের সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ” শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসলা গবেষণা কেন্দ্র, শিবগঞ্জ, বগুড়ার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট -এর মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মসলা গবেষণা কেন্দ্র, শিবগঞ্জ, বগুড়ার প্রাক্তন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. কলিম উদ্দিন। এছাড়াও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রজব আলী এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আশিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম ও কৃষাণী মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. কলিম উদ্দিন বলেন, মাঠ থেকে মসলা ফসল সংগ্রহের পর ভোক্তার গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত অনেক ফসল বিনষ্ট হয়ে যায়। মসলা জাতীয়ফসল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে উক্ত ফসলসমূহকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষকের উন্নয়ন তথা দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে থাকে। কৃষির উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। তাই তিনি মসলা জাতীয় ফসলের সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রক্রিয়াজাত দ্রব্যের গুনগত মান ঠিক রাখার জন্যও তিনি পরামর্শ প্রদান করেন। উপস্থিত কৃষক-কৃষাণীদেরকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের কথা বলেন। সর্বশেষে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য ডিহাইড্রেটেট পিঁয়াজের স্লাইস, পিঁয়াজের পাউডার; রসুনের আচার, কেচাপ, চাটনী, পাউডার; কাঁচা মরিচের পাউডার, পেস্ট, আচার; শুকনা মরিচের আচার, সস; আদার পাউডার, আচার, জ্যাম; হলুদের পেস্ট, পাউডার; কালোজিরার তেল, কেক; লিপষ্ট্রিক ট্রি/এনাটো ক্যাপসুলের পাউডার, তেল; অলস্পাইস পাতার পেস্ট ও পাউডারসহ সকল মসলা ফসলের সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপর আলোকপাত করেন মসলা গবেষণা কেন্দ্রের শিবগঞ্জ, বগুড়া উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাসুদ আলম।

This post has already been read 2594 times!