
সিকৃবি সংবাদদাতা: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন, কৃষি আমাদের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। মৎস্য উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা সংরক্ষণ ও বিপণনের সাথে প্রায় কোটি মানুষ জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তন, খরা-বন্যা, রোগবালাই ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি তখনই সার্থক হয়, যখন তা মাঠ পর্যায়ে খামারে বাস্তবায়িত হয়। তাই গবেষক, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও খামারিদের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাছের উৎপাদন যেমন বাড়বে তেমনি মজবুত হবে অর্থনীতির ভিত।
তিনি আরও বলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় খামারীদের কল্যাণে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। আজকের এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মৎস্য খামারিরা নতুন জ্ঞান অর্জন করবেন এবং একই সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের সমস্যাগুলো গবেষকদের সামনে তুলে ধরবেন, যাতে ভবিষ্যৎ গবেষণা আরও খামারীবান্ধব হয়। বন্যা পরবর্তী মৎস্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ও মাছের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার মাধ্যমে মৎস্য খাতকে টেকসই ও লাভজনক করতে বিশ্ববিদ্যালয়,মৎস্য অধিদপ্তর ও খামারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সিকৃবি আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাতের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ” মাঠ পর্যায়ে মৎস্য চাষীদের মৎস্য উৎপাদন ও সমস্যার প্রতিকার” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাৎসবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম, সিকৃবি খামারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আজিজ, মাৎস প্রযুক্তি ও মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোতাহার হোসেন।
প্রশিক্ষণে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের শতাধিক মৎস্য খামারি প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।



