
সিকৃবি সংবাদদাতা: সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ জুন) সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস – চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিকৃবির পোস্ট – গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মুক্তার হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগের সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ।
তিনি বলেন,বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু- কিশোরদের পড়াশোনার পাশাপাশি আগামীর ভবিষ্যৎ হিসেবে সুস্থ সবল করে গড়ে তুলতে প্রতিভা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সম্প্রীতি সিলেট থেকে উদ্বোধন করেছেন।এছাড়াও পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘করব কাজ-গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার মান বাড়াতে আধুনিক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পাঠদান পদ্ধতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে তাল মিলাতে হলে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত জ্ঞানের বিকল্প না থাকলেও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মোবাইল নামক ডিভাইস থেকে যতদূর সম্ভব দূরে রাখতে হবে। শুধুমাত্র প্রয়োজন সাপেক্ষে তাদের মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দিতে হবে। কারণ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহার তাদের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির কারণ। শিক্ষার্থীরা কার সাথে চলাফেরা করে, কার সাথে মিশে এবং সঠিক সময়ে পড়ালেখা শেষ করেছে কিনা, তা শিক্ষক ও অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে । অভিভাবকদের সচেতনতা ও শিক্ষকদের সঠিক গাইড লাইনই একজন শিক্ষার্থীকে প্রকৃত ও কল্যাণকর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে ।
তিনি বলেন ,শিক্ষক ও অভিভাবকগণ আগে নিজেরা নৈতিকতার চর্চা করবেন এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শিক্ষা দেবেন। তবেই শিক্ষার্থীরা সমাজে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।



