
নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পহেলা বৈশাখে উদ্বোধন হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি। প্রাক -পাইলটিং পর্যায়ে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ২২,০৬৫ জন।
মন্ত্রী রবিবার (১২ এপ্রিল) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় কৃষক কার্ড প্রদান কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।’
মন্ত্রী বলেন, কৃষি একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এই কার্ড কৃষকের মর্যাদাকে আরো মহিমান্বিত করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে বিধিবদ্ধ সেবার বাইরেও সময়োপযোগী নতুন নতুন সেবা যুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রমের জন্য ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাক-পাইলটিং সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত দেশের ১৫ টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। পাইলটিং এর অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী ০৪ বছরে সারাদেশে এই কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বাছাইকৃত ২২,০৬৫ জন কৃষকের মধ্যে প্রণোদনার জন্য নির্বাচিত ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যা ২০,৬৭১ জন। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকগণকে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি ২৫০০ টাকা হারে (বার্ষিক) নগদ সুবিধা প্রদান করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল ২০২৬) টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। দেশের ১০ জেলার ১১ উপজেলার ১১ টি ব্লকের কৃষককে প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষক কার্ড দেয়া হচ্ছে বলে কৃষি মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুর্কি ও প্রণোদনা, মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্য মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা)-অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।



