
সিকৃবি সংবাদদাতা: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন, একটি জাতির উন্নয়ন চিন্তাশক্তি, গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল জাগিয়ে তুলবে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে। এখানে জয়-পরাজয়ের চেয়ে শেখার আগ্রহ, চেষ্টা ও অভিজ্ঞতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই প্রতিযোগিতা তোমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে ও ভবিষ্যতের পথ দেখাবে। জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তোমরা জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।
১১ এপ্রিল (শনিবার) বিকাল আড়াইটায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আঞ্চলিক জীববিজ্ঞান উৎসব ২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান উৎসব, সিলেট অঞ্চলের সভাপতি প্রফেসর ড. মৃতুঞ্জয় কুন্ডর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা, সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. দিদার চৌধুরী। এর আগে সকাল ৯ টায় সিকৃবি’র কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ‘আঞ্চলিক জীববিজ্ঞান উৎসব ২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন সিকৃবি’র ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম ।
এ সময় সিকৃবি’র ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে জীববিজ্ঞানের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ, জিন প্রকৌশল-সব ক্ষেত্রেই জীববিজ্ঞানের অবদান অপরিসীম। এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু তাদের জ্ঞান যাচাই করার সুযোগই পাবে না, বরং নতুন চিন্তা, উদ্ভাবন এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, সারাদেশে ১১ টি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় সিলেট অঞ্চলে ১৪৭২ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।
জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ২০২৬ উপলক্ষে সিলেট অঞ্চলের কোমলপ্রাণ শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ভোর থেকেই সিকৃবি ক্যাম্পাস প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠে।



