Tuesday 6th of December 2022
Home / অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য / দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে দেশের রপ্তানি পণ্য ও বাজার বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী

দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে দেশের রপ্তানি পণ্য ও বাজার বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী

Published at নভেম্বর ১৭, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি বলেছেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর বাংলাদেশকে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। ২০২৬ সালের আগেই এ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সাথে পিটিএ বা এফটিএ এর মতো চুক্তি স্বাক্ষর করে বাণিজ্য সুবিধা আদায় করার জন্য আমরা অধিক গ্ররুত্ব দিয়ে কাজ করছি। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন বিধিবিধানের আলোকে বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে কাজ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। ২০৩০ সালের আগেই সফল ভাবে এসডিজি অর্জন করে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে পরিনত হবে। এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যাবে, এজন্য নিজ নিজ অবস্থানে থেকে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরী পোশাক। ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের দেশগুলো, মার্কিন যুক্তরাষ্টসহ বেশ কিছু বড় বাজার রয়েছে আমাদের। আমাদের প্রতিবেশি ভারতেও আমাদের তৈরী পোশাক রপ্তানি হচ্ছে। ভারত একটি বড় বাজার, সেখানেও রপ্তানি বাড়ছে। তৈরী পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। একটি পণ্যের উপর রপ্তানি খাতকে ধরে রাখা ঠিক হবে না। আমাদের রপ্তানি পণ্য সংখ্যা বাড়াতে হবে, একই সাথে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে। এজন্য আমাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকায় প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইকোনমিক রিলেশনস ডিভিশনের সাপোর্ট অফ সাসটেইনেবল গ্রাজুয়েশন প্রজেক্ট আয়োজিত “ন্যাশনাল সেমিনার অন এলডিসি গ্রাজুয়েশন” শীর্ষক সেমিনারের প্রথম ওয়ার্কিং সেশন-১ এ প্রেফারেনশিয়াল মার্কেট এক্সেস এন্ড ডব্লিউটিও ইস্যু এবং সেশন-২ এ ইনভেস্টমেন্ট এন্ড এক্সপোর্ট ডাইভার্সিফিকেশন শীর্ষক সেশনে সভাপতিত্ব করে বক্তব্য প্রদানের সময় এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একশতটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। অনেকগুলোর কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। অনেক প্রতিষ্ঠান সেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। অনেক বিদেশি বিনিয়োগ কারী এগিয়ে এসেছে, দেশীয় অনেক প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগ করেছে। আমাদের প্রচুর দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অনেক সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বিনিয়োগ কারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে লাভবান হবেন।

সেমিনারে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। ওয়ার্কিং সেশন-১ এ বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং প্যানেলিষ্ট আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ডেলিগেশনের ডেপুটি হেড অফ মিশন ড. বার্ন্ড স্পেনিয়ার(উৎ. ইবৎহফ ঝঢ়ধহরবৎ) এবং র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। সেশন-২ এ বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয় সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর প্রেসিডেন্ট রিজওয়ান রহমান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ইকোনমিস্ট ড. নাজনীন আহমেদ।

This post has already been read 274 times!