Friday 20th of May 2022
Home / এক্সক্লুসিভ / চাঁদপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

চাঁদপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

Published at মে ২৬, ২০২১

মাহফুজুর রহমান (চাঁদপুর প্রতিনিধি) : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে খামারিদের প্রণোদনার টাকায় অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ২৫ মে (মঙ্গলবার) উপজেলার সকল লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এলএসপি) বৃন্দের পক্ষ থেকে প্রাণিসম্পদ  অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ  ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক বরাবর একটি অভিযোগ পাঠানো হয়। একইসাথে চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ, জেলা প্রশাসক ও চট্রগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ  কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়।

সেখানে উল্লেখ করা হয়- মতলব উত্তর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) করোনাকালীন প্রণোদনার আওতায় ক্ষতিগ্রস্থ গবাদিপশু পালন ও মুরগী খামারিদের জন্য ১ম ধাপে ৮০০ এবং ২য় ধাপে ২৯৩ নামের তালিকা আসে।

পুরো উপজেলার ১৫ জন এলএসপিদের এই নামের তালিকা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রাণিসম্পদ  কর্মকর্তা স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নন-খামারি কিছু এজেন্ডাধারীদের কাছে লেনদেনের মাধ্যমে এই তালিকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়াও উপজেলার প্রডিউসার গ্রুপের কমিটির (সিজিএসপি) খামারিদের ৩১০ জনের কাছ থেকে ৫-৬ হাজার টাকা দাবী করেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং বিষয়টি নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করলে বেতন আটকে রাখা এবং চাকুরিচ্যুত করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ এলএসপিদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কিছুটা অনিয়ম করতে পারে। আমি কোন প্রকার টাকা গ্রহণ করিনি। যদি কেউ অনিয়ম করে থাকে আমার জানা নেই।

চাঁদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা যায়, করোনাকালীন এলডিডিপির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত খামারিদের মাঝে প্রণোদনা হিসাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়। এ তালিকা তৈরি করেন ওই প্রকল্পের সুপারভাইজার’সহ সংশ্লিষ্টরা।

খামারিদের জন্য এ-ক্যাটাগরিতে ১০টি গবাদিপশুর ঊর্ধ্বে ২২ হাজার টাকা, বি-ক্যাটাগরিতে ছয় থেকে নয়টি গবাদিপশুর ক্ষেত্রে ১৫ হাজার টাকা এবং সি-ক্যাটাগরিতে দুই থেকে পাঁচটি গবাদিপশুর জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এজন্য উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভাসহ ১৪টি ইউনিয়ন থেকে তালিকা প্রস্তুত করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

This post has already been read 2779 times!