
বাকৃবি সংবাদদাতা: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রশাসনিক পদগুলোতে এসেছে বড় রদবদল। ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা, সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা, সহকারী প্রক্টর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) পরিচালক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) পরিচালক এবং প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক পদে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছেন ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম।
সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুর রহমান ও কৃষিতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা। তারা যথাক্রমে অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস হোসেন ও অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিকের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীমসহ চার সহকারী প্রক্টরকে পূর্বের দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে।
বাউরেসের নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যানিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞা। তিনি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর এবং শহীদ সাদ ইবনে মমতাজ পিএইচডি ডরমেটরির সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন। তিনি অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
আইকিউএসি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন। তিনি অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
এ ছাড়া প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, শিক্ষকতার মূল ব্রতের পাশাপাশি তাঁদের ওপর এই অতিরিক্ত দায়িত্বগুলো অর্পিত হয়েছে। পূর্বে যাঁরা এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বর্তমানে যাঁরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, শিক্ষাদান ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তাঁদের খ্যাতি যেমন সর্বজনবিদিত তেমনই পূর্বেও সফলভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাঁদের রয়েছে।



