Sunday 21st of April 2024
Home / পরিবেশ ও জলবায়ু / ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহারে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে

ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহারে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে

Published at ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪

খুলনা সংবাদদাতা: ভূমিমন্ত্রী নির্মাণ কাজে টেকসই উপকরণ ব্যবহার করার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন আমাদের এমন উপকরণ ব্যবহার করা উচিত যা কেবল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না বরং পরিবেশ সংরক্ষণেও অবদান রাখে।

ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সভাকক্ষে কংক্রিট ব্লক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এই কথা বলেন। এসময় খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ ফিরোজ শাহ সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা, খুলনার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীগণ, এবং খুলনা বিভাগীয় অঞ্চলের কংক্রিট ব্লক উৎপাদন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা, এনজিও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলীগণ কংক্রিট ব্লক নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, কংক্রিট ব্লক নির্মাণ শিল্পে এক আধুনিক প্রযুক্তি। এই ব্লকগুলি ইটের তুলনায় বর্ধিত স্থায়িত্ব, উন্নত নিরোধক এবং পরিবেশগত ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস করে। মন্ত্রী এসময় অংশীজনদের নির্মাণ প্রকল্পগুলিতে কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের ক্ষেত্র অন্বেষণ করতে উৎসাহিত করেন।

ভূমিমন্ত্রী এসময় কংক্রিট ব্লক উৎপাদন খাতে উদ্ভাবন চালানোর ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন। তিনি পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সহযোগিতা, এবং সম্মিলিত অগ্রগতির লক্ষ্যে কংক্রিট ব্লক উৎপাদনকারী সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য অ্যাসোসিয়েশন  কিংবা ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় যে ইটভাটাগুলো বায়ুদূষণের এক বড় উৎস। এছাড়া, ইটভাটায় যথেচ্ছভাবে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কারণে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। কংক্রিট ব্লক ব্যবহারে এই ঝুঁকি অনেক কমে আসবে বলে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়।

This post has already been read 441 times!