পলাশবাড়িতে ২০ কৃষকের দৃষ্টিনন্দন আদর্শ বীজতলা

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌরসভায় মহেশপুর গ্রামে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিলা শারমিনের পরামর্শে এক সাথে ৭ বিঘা দৃষ্টিনন্দন বোরোর আদর্শ বীজতলা করেছেন। বোরো মৌসুমে বীজতলায় উৎপাদিত ধানের চারা যেকোন বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করতে পারে। আদর্শ বীজতলায় চারা উৎপাদন খরচ সাশ্রয় হয়।  তাই বীজতলার দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।

আদর্শ বীজতলা তৈরিতে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন পলাশবাড়ী উপজেলা পৌরসভা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ।

মহেশপুর গ্রামের কৃষক কালাম মিয়া জানান শর্মিলা আপার পরামর্শে ২০ জন কৃষক মিলে এক সাথে আদর্শ বীজতলা করেছি।

আগে যে বীজতলা করতাম তার  তুলনায় আদর্শ বীজতলায় উৎপাদিত চারার স্বাস্থ্য ভালো এবং কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকিও কম। চারা তোলার সময় শিকড়ে মাটি না ধরায় চারা গুলো আঘাত পায় না। রোপণের পর প্রায় শতভাগ চারা জীবিত থাকে। খরচ কম এবং চারা ভালো হওয়ায় সকল কৃষক আমরা খুশি।

শর্মিলা শারমিন জানান আদর্শ বীজতলায় ১-১.২৫ মিটার চওড়া ও জমির সাইজ অনুযায়ী জায়গায় বেড তৈরি করা হয়। বেডের দু’পাশে ড্রেন থাকে। এ পদ্ধতিতে বীজতলায় বীজ ছিটাতে সহজ হয়। বীজতলায় রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হলে সহজে পরিচর্যা করা যায়। আগের পদ্ধতির তুলনায় এ পদ্ধতিতে বীজ নষ্ট হয় কম। তিনি আরো জানান তার পৌরসভা ব্লকে মোট  ৬৫ হেক্টর বীজতলা হয়েছে। তার মধ্যে ভেজা আদর্শ বীজতলা ৩৫ হেক্টর, শুকনা আদর্শ বীজতলা ৫ হেক্টর ও পলিথিন আবৃত শুকনা আদর্শ বীজতলা ১ হেক্টর হয়েছে । আগামীতে শতভাগ  বীজতলা করার চেষ্টা করা থাকবে।

This post has already been read 878 times!

Check Also

জিএমও নিয়ে প্রচলিত ধারণা ভুলের দাবী

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিএমও নিয়ে প্রচলিত ধারণা ভুলের দাবী করেছেন একদল বিজ্ঞানী ও গবেষক। এ ব্যাপারে …