Friday 7th of October 2022
Home / অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য / সবজি ও মাছসহ পচনশীল পণ্য সংরক্ষণে বাগেরহাটে চালু হলো কৃষিপণ্য হিমাগার

সবজি ও মাছসহ পচনশীল পণ্য সংরক্ষণে বাগেরহাটে চালু হলো কৃষিপণ্য হিমাগার

Published at ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২২

ফকির শহিদুল ইসলাম (খুলনা) : বাগেরহাটে চালু হলো কৃষিপণ্য হিমাগার। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজি ও মাছসহ পচনশীল পণ্য সংরক্ষণের জন্য বাগেরহাট জেলায় এই প্রথম হিমাগার (কোল্ডস্টোরেজ) চালু করা হয়েছে। শনিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মাঝিডাঙ্গা এলাকায় বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বি.ই কোল্ড স্টোরেজ এ্যান্ড এ্যাগ্রো প্রোসেসিং লিঃ নামের এই হিমাগার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান টুকু, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন, মোংলা বন্দর ক্লিয়ারিং এ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএ্যান্ড এফ) এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুলতান আহমেদ খান, বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কেএম আজিজুল ইসলাম, বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর সভাপতি ও বি.ই কোল্ড স্টোরেজ এ্যান্ড এ্যাগ্রো প্রোসেসিং লিঃ এর স্বত্তাধিকারী লিয়াকত হোসেন লিটন, ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, গোটাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সমসের আলী, পৌর কাউন্সিলর তানিয়া আক্তার, আসমা আজাদ, সরদার শামীম আহসানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বি.ই কোল্ড স্টোরেজ এ্যান্ড এ্যাগ্রো প্রোসেসিং লিঃ এর স্বত্তাধিকারী লিয়াকত হোসেন লিটন বলেন, আমার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই অঞ্চলের কৃষকদের পন্য সঠিক দামে বিক্রি ও ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যেই এই হিমাগার নির্মান করেছি। হিমাগার পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে দক্ষ জনবল নিয়োগ সম্পন্ন করেছি। আশাকরি অন্য এলাকার থেকে বাগেরহাটের মানুষ এই হিমাগারে পন্য সংরক্ষন করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

বাগেরহাট সদর উপজেলার মাঝিডাঙ্গা এলাকায় সাড়ে ৫ একর জমির উপর নির্মিত ৩২ হাজার বর্গফুটের এই প্রতিষ্ঠানটি জেলার একমাত্র হিমাগার। এই বর্তমানে হিমাগারে বর্তমানে ৩ হাজার ২০০ টন পন্য রাখা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজার টন পর্যন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তার। এই হিমাগার চালু হলে এই অঞ্চলের উৎপাদিত সবজি, সাদা মাছ, ইলিশ মাছ ও বিভিন্ন ফল সংরক্ষন ও বাজারজাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সেই সাথে এলাকার কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভূমিকার রাখবে।

This post has already been read 1371 times!