Thursday 19th of May 2022
Home / শিক্ষাঙ্গন / ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান বাকৃবি শিক্ষক সমিতির

ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান বাকৃবি শিক্ষক সমিতির

Published at আগস্ট ২৯, ২০১৯

বাকৃবি সংবাদদাতা : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতিসহ নানা সুযোগ সুবিধার বিষয়ে একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। প্রস্তাবিত অভিন্ন ওই নীতিমালায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের স্বার্থরক্ষা হয়নি দাবি করে তা প্রত্যাখান করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষক সমিতি। বুধবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবিত ওই নীতিমালার কঠোর সমালোচনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। এ সময় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু হাদী নূর আলী খান, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এ সালাম, বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইয়াহিয়া খন্দকারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ইউজিসি যেখানে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করার জন্য গঠিত হলেও আজ সেখানে উচ্চশিক্ষাকে গলাটিপে হত্যার ব্যবস্থা করছেন। প্রস্তাবিত নীতিমালায় পিএইচডি ইনক্রিমেন্ট, সেশন বেনিফিটসহ বিদ্যমান সুযোগ সুবিধাগুলো কেড়ে নিচ্ছে। এ নীতিমালায় বিশ^বিদ্যালয়ের কোন অধ্যাপক বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ ধাপে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। মাস্টার্স ও পিএইডি করার জন্য শিক্ষাছুটি কমিয়ে পাঁচবছর করা হয়েছে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, প্রস্তাবিত এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর আন্দোলনে মাধ্যমে প্রতিহত করা হবে।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন, ইউজিসি চাইলে এ নীতিমালা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সুপারিশ করতে পারে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট ও সিনেট রয়েছে নীতি নির্ধারণের জন্য, প্রয়োজনে তারা সিদ্ধান্ত নিবে কিভাবে নিয়োগ ও পদোন্নয়ন আরও যুগোপযুগী করা যায়।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ইউজিসি কর্তৃক শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত এক অভিন্ন নীতিমালা পাশ হয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিমালা অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে যা নীতিমালার পরিপন্থি বলে জানান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। প্রস্তাবিত অভিন্ন নীতিমালায় কৃষি ও কৃষি প্রধান বিশ্ববিদ্যালগুলোর সাথে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত বলেও অভিযোগ করেন তারা।

This post has already been read 1117 times!