Thursday 19th of May 2022
Home / অন্যান্য / আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩ দিন ব্যাপী ফলদ ও বনজ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩ দিন ব্যাপী ফলদ ও বনজ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

Published at জুলাই ২৯, ২০১৯

মো. জুলফিকার আলী (পাবনা): ‘‘পরিকল্পিত ফল চাষ, যোগাবে পুষ্টি সম্মত খাবার ’’ শ্লোগানকে সামনে রেখে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা এর আয়োজনে আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩দিন ব্যাপী (২৯-৩১ জুলাই) ফলদ বৃক্ষ মেলা শুরু হয়েছে। সোমবার (২৯ জুলাই) সকালে  আলমডাঙ্গা উপজেলা চত্বর থেকে ফলদ ও বনজ বৃক্ষ মেলা উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রান্তরে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে ফিতা কেটে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব হোসেন। মেলা উপলক্ষে পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন আলী এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. খন্দকার সালমুন আহাম্মদ (ডন), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু। আলোচনার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, আলমডাঙ্গা উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব হোসেন বলেন, প্রতিটি দেশের আয়তন অনুযায়ী প্রায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে ১৭ শতাংশ বনভূমি রয়েছে।  আমাদের দেশের পরিবেশ রক্ষার্থে ফলজ ও বনজ প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উক্তি উল্লেখ করে বলেন, নিজ নিজ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ও বনভূমি বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকে কমপক্ষে ৩টি করে ফলজ ও বনজ চারা রোপণের আহবান জানান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বর্তমান সরকার প্রতি বছরের ন্যায় জেলা ও উপজেলা বৃক্ষমেলা আয়োজন করছেন। যাতে জনগণের মাঝে গাছ লাগানোর আগ্রহ সৃষ্টি হয়।বর্ধিত জনগোষ্টিকে পুষ্টি সমৃদ্ধি খাবার  খাওয়াতে হলে বেশি বেশি গাছপালা লাগিয়ে ফলমূলসহ শাকসবজি উৎপাদন করতে হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীসহ স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষে ফলদ ঔষধি ও কাষ্ঠল বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন, আলমডাঙ্গা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা।

This post has already been read 1035 times!