Monday 16th of May 2022
Home / অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য / সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

Published at এপ্রিল ২৮, ২০১৯

ঢাকা সংবাদদাতা: রবিবার (২৮ এপ্রিল) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শ’র প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এম.পি -এর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এম.পি, বেগম মতিয়া চৗধুরী এম.পি, এইচ এন আশিকুর রহমান এম.পি, মো. আব্দুল হাই এম.পি, প্রাক্তন কৃষি সচিব মনজুর হোসেন এম.পি, মো. জোয়াহেরুল ইসলাম এম.পি, সহ কৃষি সচিব, শিল্প সচিব, বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ব্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় ফসলের নিবিড়তা, আবাদকৃত ফসল বিশেষ ভাবে ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যের ফসল, ফল বাগান স্থাপন, শস্য বিন্যাস, সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার এবং বিগত অর্থ বছরের চাহিদা বরাদ্দ ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জন্য সারের চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে মৎস্য চাষের চাহিদা ইউরিয়া ১.৯৯ লাখ মে.টন, টিএসটি ১.২৩ লাখ মে.টন, ডিএপি ০.১০ লাখ মে.টন, ও এমওপি ০. ২১ লাখ মে.টন এবং প্রাণিসম্পদ খাতে চাহিদা ইউরিয়া ০.০১৯ লাখ মে. টন প্রস্তাবিত চাহিদা আলাদা ভাবে দেখানো হয়েছে।

মাঠ পর্যায় নন-ইউরিয়া সারের ব্যবহার সারের পরিমিত ব্যবহারকে বিবেচনা করে চাহিদা নিরুপণ করা হয়েছে। ২০১৮-২০১৯ সালে সারের চাহিদা ছিল ইউরিয়া ২৫.৫০ লাখ মে.টন, টিএসপি ৭ লাখ মে.টন, ডিএপি ৯ লাখ মে.টন, এমওপি ৮.৫০ লাখ মে.টন, এমএপি ০.৩০ লাখ মে.টন, এনপিকেএস ০.৫০ লাখ মে.টন, জিপসাম ৩ লাখ মে.টন, জিংক সালফেট ১লাখ মে.টন, অ্যামোনিয়া সালফেট ০.১০ লাখ মে.টন, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ০.৮০ লাখ মে.টন ও বোরন ০.৪০ লাখ মে.টন। ২৪ জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত বিতরণের পর মজুদ ছিলো ৮দশমিক ৯৫লাখ মে.টন ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি। বিএডিসি’র বিতরণের পর মজুদ ছিল ৮.৮৪লাখ মে.টন এবং বেসরকারি মজুদ ছিল ০.৭৮ লাখ মে.টন। ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া সারের চাহিদার বিপরিতে সমন্বিত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি’র মোট বিক্রি হয়েছিলো ৪৮ লাখ মে.টন।

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে সারের চাহিদা নিরুপণ করা হয়েছে ইউরিয়া ২৬.৫০ লাখ মে.টন, টিএসপি ৭.৫০ লাখ মে.টন, ডিএপি ৯ লাখ মে.টন, এমওপি ৮.৫০ লাখ মে.টন, এমএপি ০.৫০ লাখ মে.টন, এনপিকেএস ০.৭০ লাখ মে.টন, জিপসাম ৪ লাখ মে.টন, জিংক সালফেট ১.৩৩ লাখ মে.টন, অ্যামোনিয়া সালফেট ০.১০ লাখ মে.টন।

This post has already been read 1174 times!