Tuesday 16th of April 2024
Home / ট্যুরিজম / সিকৃবি শিক্ষার্থীদের লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও আরএআরএস এগ্রোফরেস্ট্রি ফিল্ড পরিদর্শন

সিকৃবি শিক্ষার্থীদের লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও আরএআরএস এগ্রোফরেস্ট্রি ফিল্ড পরিদর্শন

Published at এপ্রিল ১২, ২০১৯

সিকৃবি সংবাদদাতা: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বি.এস.সি এজি. (অনার্স) লেভেল ৩, সেমিষ্টার ১ শিক্ষার্থীদের মৌলভীবাজার জেলার আকবরপরের গিয়াসনগরে অবস্থিত আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র (আরএআরএস) এবং কমলগঞ্জের লাওয়াছড়া বন গবেষণা কেন্দ্র, লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, খাসিয়া পুঞ্জি ও আগর বাগানে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল ) একদিনব্যাপী ফিল্ড ভিজিট সম্পন্ন হয় । উক্ত ফিল্ড ভিজিটে কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. সামিউল আহসান তালুকদার ও প্রফেসর মো. শারফ উদ্দিনের এর তত্ত্বাবধানে ৭০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সফরে বিট অফিসার আনোয়ার হোসেন লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের জীববৈচিত্র সম্পর্কে ধারনা দেন। শিক্ষার্থীরা উদ্যানের বিভিন্ন বিরল প্রজাতির গাছগাছালি যেমন- আফ্রিকান টিকওক, বাটনা, রক্তন, বাঁশপাতা, সুন্দরী, ভুতুম, বাঁশ, বেত ইত্যাদির সাথে পরিচিত হয়। তারা খাসিয়া পুঞ্জিতে খাসিয়া পান চাষ ও সংশ্লিষ্ঠ উপজাতিদের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে পরিচিত হয়। পরে লাওয়াছড়া বন গবেষণা কেন্দ্রের সিলভিকালচার নার্সারী ঘুরে দেখান রেঞ্জ অফিসার মো. আবুল কাসেম। সেখানে শিক্ষার্থীরা নবাগত বাণিজ্যিক প্রজাতি ধূপ গাছ দেখেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা দেশীয় বিরল প্রজাতির বৃক্ষের চারা জোড়াবাদাম, ভেলা, গোলাপজাম, কালোজাম, পিঠাগোলা, কইমুলা, দাড়কাউ ইত্যাদির সাথে পরিচিত হয়।

একইদিন বিকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আকবরপরে অবস্থিত আরএআরএস পরিদর্শন করা হয়। মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এস. এম. শরীফুজ্জামান আরএআরএস-এর কার্যক্রম, সিলেট অঞ্চলের কৃষির সমস্যা ও সম্ভবনা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন। পরে উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আরএআরএস-এর ভাসমান সবজি চাষ, ফ্রুট ব্যাগিং টেকনোলজি, পাহাড়ী অঞ্চলের চাষাবাদের উপযোগী গMATH (Modern Agricultural Technology in the Hills) মডেল, বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষের সম্ভবনা যাচাই শীর্ষক প্রভৃতি চলমান গবেষণা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সামিউল আহসান তালুকদার বলেন, গুনগত মানের গ্রাজুয়েট তৈরীর জন্য শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবে পাঠদানের পাশাপাশি মাঠের অভিজ্ঞতাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ফলপ্রসূ ফিল্ড ভিজিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জীববৈচিত্র্য, গুরুত্বপূর্ণ বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ ও সিলেট অঞ্চলের জন্য উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ কুষি গবেষণা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।

This post has already been read 4525 times!