
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন বৃদ্ধি, গবেষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ মৎস্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নরওয়ের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপির সঙ্গে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন (Håkon Arald Gulbrandsen)। এ সময় বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়সহ পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাংলাদেশ ও নরওয়ের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ, গবেষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ মৎস্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নরওয়ের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বাংলাদেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন বাংলাদেশের মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে এ খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি মত দেন।
আলোচনায় বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো, টেকসইভাবে মৎস্য আহরণ ও ব্যবস্থাপনা, গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে মৎস্য খাতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতার পরিধি আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
সাক্ষাতে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব বেবী রাণী কর্মকার, রয়্যাল নরওয়েজিয়ান এম্বাসি ঢাকার অর্থনৈতিক বিষয়াবলি ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মুন্তাসির বায়জিদ, অ্যাজাইল রিসোর্সেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুমরুজ্জামান খান সোহেল এবং গ্যালান্স বাংলাদেশের প্রতিনিধি মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।



