Sunday 21st of April 2024
Home / পরিবেশ ও জলবায়ু / আলফাডাঙ্গায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান

আলফাডাঙ্গায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান

Published at মার্চ ৩০, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো: আব্দুর রহমান বলেছেন, প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার নামই জীবন। সুতরাং এই যে ঝড়বাদল, অনাবৃষ্টি, খরা এসবের মধ্য দিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে, বসবাস করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অত্যন্ত মানবদরদী নেত্রী এবং একজন মানবিক নেত্রী। তিনি মানুষের সুখ-দুঃখ নিয়ে ভাবেন। যতোদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নেতৃত্বে থাকবেন, ততোদিন ইনশাআল্লাহ কোন ঝড়-ঝঞ্ঝা আমাদের নুয়াতে পারবে না।

শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১টায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়  ঘুর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমবেত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এসব সামগ্রী তুলে দেন।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন ইয়াসমিন জানান, এসময় প্রথম দফায় ৫০টি পরিবারের মাঝে এক বান করে টিন ও ১৫০ টি পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। শুকনা খাবারের মধ্যে চাল, ডাল, খেজুর ও ইফতার সামগ্রী রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ, বানা ও পাঁচুড়িয়া ইউনিয়নের ২৫ টি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিতরণ কর্মসূচি শেষে মধুমতী নদীতে অবৈধ ভাবে আড়াআড়ি বাঁধ এবং পাতন দিয়ে নির্বিচারে মৎস্য শিকার হচ্ছে কালবেলা জেলা প্রতিবেদকের এমন তথ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী তৎক্ষনাৎ উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে অবৈধ পাতন ও বাঁধ অপসারণের নির্দেশ দেন।

এর আগে বেলা ১১ টায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  তার নির্বাচনী এলাকার নিজ উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌর বাজার সংলগ্ন লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকাতে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এখানে ১শ’ টাকায় ১১টি ডিম, ৭০ টাকায় এক লিটার দুধ ও ৬০০ টাকায় এক কেজি গরুর মাংস কিনতে পারবেন সাধারণ মানুষ। নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

This post has already been read 230 times!