Sunday 16th of June 2024
Home / আঞ্চলিক কৃষি / ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শনে পলাশবাড়ীতে ডিএই পরিচালক

ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শনে পলাশবাড়ীতে ডিএই পরিচালক

Published at ডিসেম্বর ১১, ২০২৩

রুস্তম আলী (গাইবান্ধা) : গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পৌরসভা ব্লকের উদ্ধুদ্ধকরনের মাধ্যমে স্থাপিত ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শন করেন কৃ‌ষি সম্প্রসারণ অ‌ধিদপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিম।

গত ৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পৌরসভা ব্লকে হরিনমারী গ্রামের ভার্মি কম্পোষ্ট পরিদর্শন করেন। ভার্মি কম্পোষ্টটি পৌরসভা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা  শর্মিলা শারমিন উদ্ধুদ্ধকরনের মাধ্যমে মোছা. আয়েশা খাতুনের বাড়ীতে স্থাপন করেন।

পরিচালক মহোদয় ভার্মি কম্পোষ্টটি পরিদর্শনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং একজন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পরিবেশের ভারসাম্য্য রক্ষায় কাজ করার জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ভার্মি কম্পোষ্টটি পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ খোরশেদ আলম, উপ প‌রিচালক, ডিএই,গাইবান্ধা,কৃষিবিদ জনাব মোঃ রোস্তম আলী,অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্যান), ডিএই,গাইবান্ধা ও কৃষিবিদ ফাতেমা কাওসার মিশু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, পলাশবাড়ী।

মোছা. আয়েশা খাতুনের কোন আয়ের উৎস না থাকায় কষ্টে কোন রকম জীবন যাপন করছিলেন। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা,শর্মিলা শারমিনের পরামর্শে ভার্মি কম্পোষ্টের ১০ রিং বসান। ভার্মি কম্পোষ্ট সার বিক্রি ভালো হওয়ায় তিনি রিং সংখ্যা বৃদ্ধি করে ৬০ টিতে উন্নীত করেন। ৬০টি রিং থেকে মাসে  প্রায় ২ হাজার কেজি সার উৎপাদন করেন। সার বিক্রি করে তার মাসিক  আয় ২০ হাজার টাকা বলে আয়শা খাতুন জানান।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিলা শারমিন জানান রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে আনা ও ভার্মি কম্পোষ্টের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কৃষককে নিযমিত পরামর্শ ও উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন। উদ্ধুদ্ধকরনের মাধ্যমে আয়শা খাতুন একজন নারী উদ্যোক্তা রুপে আর্বিভূত হয়েছেন। কৃষকের কল্যানে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

This post has already been read 911 times!