Wednesday 25th of May 2022
Home / পরিবেশ ও জলবায়ু / সন্ধ্যার পর নদী থেকে বালু উত্তোলন না করার নির্দেশ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

সন্ধ্যার পর নদী থেকে বালু উত্তোলন না করার নির্দেশ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

Published at জানুয়ারি ২০, ২০২২

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

নিজস্ব প্রতিবেদক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন; দেশের সকল নদী হতে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই বালু উত্তোলন করতে হবে। সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই নদী থেকে বালু তোলা যাবে না। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) এ বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী ।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক(ডিসি) সম্মলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন; নদীমাতৃক এই দেশে ৪০৫টি নদী প্রবাহমান। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষা মৌসুমে অধিক পানি থাকে। শুষ্ক মৌসুমে পানি কমে যায়। খনন করে নদীর নাব্যতা রক্ষার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনে বন্ধ করতে না পারলে সমস্যা প্রকট হবে। নদীর তীরে লোহা দিয়ে দেয়াল করে দিলেও তীর রক্ষা করতে পারবো না।

খননের একটা নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে, সেটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে। সেখানে বলা আছে, বালু উত্তোলনের সময়টা সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে করতে হবে। সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই বালু তোলা যাবে না বলেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ।

প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক আরও বলেন,সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু রাখতে, বালু তোলার প্রয়োজন আছে। তবে যত্রতত্র বালু উত্তোলন চলবে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশলীরা বালুমহল চিহ্নিত করবেন।

এছাড়া বাঁধের ওপর ঘর-বাড়ি থাকে। ঘর-বাড়ি করলে, রান্নাবান্না করলে বাঁধে ইঁদুরের বাসা হযয়। ইঁদুর বাসা করলে বাঁধ দুর্বল হয়ে যায়,যা বাইরে থেকে বুঝা যায় না। তখন বর্ষায় প্রবল স্রোতে বাঁধ ভেঙে যায়। দোষ হয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর। আশ্রয়ণ প্রকল্পের স্থান নির্ধারণ করার সমযয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে উঁচু স্থান নির্ধারণ করার কথাও ডিসিদের বলেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

উপকূলের বাঁধ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থ সহায়তা ও সরকারি বরাদ্দে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। কাজগুলো শেষ হলে আগামী ৭-৮ বছর পর সহনীয় একটি পর্যায়ে আসবে বলে জানান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

This post has already been read 450 times!