Tuesday 9th of August 2022
Home / অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য / বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ হবে পরবর্তী চীন -ড. আনসারী

বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ হবে পরবর্তী চীন -ড. আনসারী

Published at ডিসেম্বর ২, ২০২১

ড. এফএইচ আনসারী (ফাইল ছবি)।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ হবে পরবর্তী চীন। আগামী ২০৩০ সনে ২৮তম এবং ২০৪১ সনের মধ্যে ২৩ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। এছাড়াও ২০৫০ সনের মধ্যে বিশ্বের ১২তম অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশ হবে। তবে এজন্য কৃষিতে বিনিয়োগে সরকারি পলিসিতে বেশকিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে হবে। কারণ আমাদের জনতাত্ত্বিক ও ভৌগলিক অবস্থান, সংযোগ ও অবকাঠামোগত সুবিধা, বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও সমর্থন দেশের কৃষিতে সীমাহীন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

সম্প্রতি বিডা (বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি) আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের “এগ্রিবিজনেস: গ্রোথ বাই ন্যাচার শীর্ষক” সেশনে মূল প্রবন্ধ (প্রেজেন্টেশনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন) প্রেজেন্টেশনটি পেতে এখানে ক্লিক করুন) উপস্থাপক এবং এসিএই এগ্রিবিজনেস -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এফএইচ আনসারী এসব কথা বলেন। মূল প্রবন্ধে দেশের পোলট্রি, ডেইরি, মৎস্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত, পাট, এনিমেল হেলথ, পোস্ট হার্ভেস্ট, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অ্যান্ড সার্টিফিকেশন খাতের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

ড. আনসারী জানান, বর্তমানে দেশে চাষযোগ্য জমির পরিমান সাড়ে ৮ মিলিয়ন হেক্টর, মোট শ্রমশক্তির ৪০ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত, শস্য উৎপাদন ২১৬ শতাংশ। দেশে বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমান ৪৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন, শাক-সবজি ১৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন, মাছ উৎপাদন ৪.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন, মাছ উৎপাদন ৮.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং দুধ উৎপাদন হয় ১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এছাড়াও বছরে প্রায় ৩৬০০ জন কৃষি গ্রাজুয়েট এবং ১০ লাখ সাধারণ গ্রাজুয়েট নতুন করে যুক্ত হয়। এসব রিসোর্স ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে বিশ্বের শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তার অবস্থান করে নিবে খুব দ্রুতই।

কৃষি ব্যবসার জন্য আর্থিক প্রণোদনা

  • জৈব সার, জৈব প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি পণ্য, দেশীয় ফল সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ, কীটনাশক, টিস্যু গ্রাফটিং শিল্পে ৫-১০ বছরের জন্য আরোপিত ট্যাক্স কমানো।
  • ফল, সবজি প্রক্রিয়াজাত, ডেইরি উৎপাদন, শিশু খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদন শিল্পে ১০ বছরের জন্য ট্যাক্ম মওকুফ।
  • ভুট্টা ও সুগারবিটের আয়কর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মওকুফ করা এবং পোলট্রি ও হ্যাচারি কাজে সর্বোচ্চ ১০% আয়কর নির্ধারন।
  • পোলট্রি ও ফিস ফিড, ক্যাটল ফার্মিং, বীজ উৎপাদন, মৌমাছির খামার, মাশরুম, রেশম চাষ ও ফুল চাষে আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ট্যাক্স নির্ধারন।
  • রাইস ব্রান ওয়েল শিল্পে আগামী ১০ বছরের জন্য ট্যাক্স কমানো।
  • রপ্তানি থেকে প্রাপ্ত আয়ের ৫০ শতাংশ ট্যাক্স মওকুফ; এবং
  • রয়্যালিটি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, প্রযুক্তিগত সহায়তা ফি এবং সুবিধা থেকে আয়কে ট্যাক্স মুক্ত রাখা।

This post has already been read 1319 times!