Monday 23rd of May 2022
Home / মৎস্য / বটম ক্লিন পদ্ধতিতে মাছ চাষের সার্বিক ব্যবস্থাপনা কৌশল

বটম ক্লিন পদ্ধতিতে মাছ চাষের সার্বিক ব্যবস্থাপনা কৌশল

Published at জুলাই ২৫, ২০২১

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান:বটম ক্লিন (আর এ এস) পদ্ধতিতে পুকুর প্রস্তুতি থেকে মাছ বিক্রি পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা  সমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল

নার্সারি পুকুর প্রস্তুতি:

১) পুকুরের পানি নিষ্কাশন, তলদেশের কাদা অপসারণ এবং পুকুর রৌদ্রে শুকানো এবং নতুন পুকুর হলে তলদেশ চাষ দেওয়া বাঞ্ছনীয় ।

২) পুকুর শুকানো সম্ভব না হলে পানির পরিমান কমাতে হবে ( ২ ফুট বা তার নিচে) তারপর রোটেনন/তামাকের গুড়া/চা বীজের খৈল/ফসটক্সিন ট্যাবলেট প্রয়োগ করে রাক্ষুসে বা অবাঞ্চিত মাছ দূর করতে হবে। আগাছা নিধন করতে হবে।

৩) পুকুর কাটার পর প্রয়োজনীয় চুন প্রতি শতাংশে ৫০০গ্রাম-২ কেজি  পোড়া চুন সকল জায়গায় সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে। পুকুরের মাটির পিএইচ মান নির্ণয় করে চুনের পরিমান নির্ধারণ করতে হবে।

৪) চুন প্রয়োগের ১-২ দিন পর নার্সারী পুকুরে ৪-৫ ফুট পানি ঢুকাতে হবে। পুকুরে পানি ঢুকানোর সময় কোন অবস্থায় বাইরে থেকে কোন প্রকার অবাঞ্ছিত মাছ বা আগাছা প্রবেশ করতে না পারে এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫) পুকুরে পানি প্রবেশ করানোর ১দিন পর পানিতে বিদ্যমান ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য প্রতি একরে ৫০০ মিলি হিসেবে একুয়া সাইড প্লাস অথবা ভাইরোকিল একুয়া (AQUAXIDE PLUS/VIROKILL AQUA) প্রয়োগ করতে হবে, পুকুরকে ক্ষতিকর পোকা মাকড়, উকুন ও বহিঃ পরজীবি মুক্ত করতে প্রতি একরে ৪ ফুট পানির জন্য ৫০  মিলি প্যারাটিক্স (PARATICS) প্রয়োগ করতে হবে।

নার্সারি পুকুরে পোনা অবমুক্তকরন

১ম সপ্তাহ

  • ৪০০০ পিস = ১ কেজি পোনা ছাড়া উত্তম অর্থাৎ প্রতিটি পোনার ওজন অনুমানিক ০.২৫ গ্রাম হওয়া বাঞ্ছনীয়।
  • পোনা ছাড়ার পূর্বে জীবাণুনাশক প্রয়োগ করার ০৩ দিন পর BIOTICS (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৭ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • পোনা ছাড়ার পর খাদ্য হিসেবে নার্সারি পাউডার দিতে হবে।
  • নার্সারি পাউডার দিনে ৪ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০, রাত ২.৩০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৩০ % হারে দিতে হবে।
  • Aqua Bac P (Gut probiotics) প্রতি একরে ২০০ গ্রাম করে টানা ০৭ দিন দিতে হবে পুকুরে।

২য় সপ্তাহ

  • ২০০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হলে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ০.৫০ গ্রাম হলে , খাদ্য হিসেবে নার্সারি পাউডার দিতে হবে।
  • নার্সারি পাউডার দিনে ৪ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০, রাত ২.৩০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৩০ % হারে দিতে হবে।

৩য় সপ্তাহ

  • Aqua Clear S , প্রতি একরে ৫০০ গ্রাম (৩-৪ ফিট গভীরতার জন্য) ০১ বার ব্যাবহার করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে নার্সারি পাউডার দিতে হবে।
  • নার্সারি পাউডার দিনে ৪ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০, রাত ২.৩০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ২৫ % হারে দিতে হবে।
  • Aqua Bac P (Gut probiotics) প্রতি একরে ২০০ গ্রাম করে টানা ০৭ দিন প্রয়োগ করতে হবে পুকুরে।
  • ১০০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১.০ গ্রাম।

৪র্থ সপ্তাহ

  • খাদ্য হিসেবে নার্সারি পাউডার দিতে হবে।
  • নার্সারি পাউডার দিনে ৪ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০, রাত ২.৩০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ২৫ % হারে দিতে হবে।
  • ৫০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ২.০ গ্রাম।

চাষ পুকুর ব্যবস্থাপনা

৫ম সপ্তাহ

  • BIOTICS (৩-৪ ফিট গভীরতা)  প্রতি একরে ৭ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • Live Food (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে ।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (০.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৪ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০, রাত ২.৩০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১৫ % হারে দিতে হবে।
  • ৩০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৩.৩৫ গ্রাম।

৬ষ্ট সপ্তাহ

  • Aqua Neem (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (০.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১৫ % হারে দিতে হবে।
  • ২০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৫.০ গ্রাম।

৭ম সপ্তাহ

  • Aqua Bac P খাদ্যের সাথে ০.৫-১.০ গ্রাম/কেজি প্রয়োগ করতে হবে টানা ৪ দিন।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (০.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১৫ % হারে দিতে হবে।
  • ১৫০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৬.৬৫ গ্রাম।

৮ম সপ্তাহ

  • Aqua Clear S প্রতি একরে ৫০০ গ্রাম (৩-৪ ফিট গভীরতার জন্য) প্রয়োগ  করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (০.৮/১.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১০ % হারে দিতে হবে।
  • ১২০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৮.৩৫ গ্রাম।

৯ম সপ্তাহ

  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (০.৮/১.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১০ % হারে দিতে হবে।
  • ১০০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১০.০ গ্রাম।

১০ম সপ্তাহ

  • Aqua Neem  (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১০ % হারে দিতে হবে।
  • ৭০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১৪.৩০ গ্রাম।

১১তম সপ্তাহ

  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১০ % হারে দিতে হবে।
  • ৬৫ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১৫.৪০ গ্রাম।

১২তম সপ্তাহ

  • Aqua Clear S প্রতি একরে ৫০০ গ্রাম (৩-৪ ফিট গভীরতার জন্য) প্রয়োগ  করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ১০ % হারে দিতে হবে।
  • Aqua Bac P খাদ্যের সাথে ০.৫-১.০ গ্রাম/কেজি প্রয়োগ করতে হবে টানা ৪ দিন।
  • Vitamin C Sol খাদ্যের সাথে ২ গ্রাম/কেজি প্রয়োগ করতে হবে টানা ৭ দিন।
  • ৬০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১৬.৬৫ গ্রাম।

১৩তম সপ্তাহ

  • Aqua Neem (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.২/১.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৬-৮ % হারে দিতে হবে।
  • ৫৫ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ১৮.২০ গ্রাম।

১৪তম দিন

  • BIOTICS  (৩-৪ ফিট গভীরতা)  প্রতি একরে ৭ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.২/১.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৬-৮ % হারে দিতে হবে।
  • ৫০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ২০ গ্রাম।

১৫তম সপ্তাহ

  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৬ % হারে দিতে হবে।
  • Aqua Bac P খাদ্যের সাথে ০.৫-১.০ গ্রাম/কেজি প্রয়োগ করতে হবে টানা ৪ দিন।
  • Vitamin C Sol খাদ্যের সাথে ২ গ্রাম/কেজি প্রয়োগ করতে হবে টানা ৭ দিন।
  • ৪৫ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ২২.২৫ গ্রাম।

১৬তম সপ্তাহ

  • Aqua Clear S প্রতি একরে ৫০০ গ্রাম (৩-৪ ফিট গভীরতার জন্য) প্রয়োগ  করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (১.৫ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৬ % হারে দিতে হবে।
  • ৪০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ২৫ গ্রাম।

১৭তম সপ্তাহ

  • BIOTICS (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৭ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (২.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৬ % হারে দিতে হবে।
  • খাদ্যের সাথে
  • Butamin – ৫ মিলি/কেজি – ০৭ দিন
  • Growth Gel- ৭ মিলি/কেজি – ১০ দিন
  • Ecomax – ৫গ্রাম/কেজি – ০৭ দিন
  • Aqua Livcare – ৫ মিলি/কেজি – ০৭ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৩৫ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ২৮.৬০ গ্রাম।

১৮তম সপ্তাহ

  • Aqua Clear S প্রতি একরে ৫০০ গ্রাম (৩-৪ ফিট গভীরতার জন্য) প্রয়োগ  করতে হবে।
  • Aqua Neem (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (২.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৩-৫ % হারে দিতে হবে।
  • ৩০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৩৩.৩৫ গ্রাম।

১৯তম সপ্তাহ

  • BIOTICS (৩-৪ ফিট গভীরতা) প্রতি একরে ৭ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (২.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ৩-৫ % হারে দিতে হবে।
  • খাদ্যের সাথে
  • Butamin – ৫ মিলি/কেজি – ০৭ দিন
  • Growth Gel- ৭ মিলি/কেজি – ১০ দিন
  • Ecomax – ৫গ্রাম/কেজি – ০৭ দিন
  • Aqua Livcare – ৫ মিলি/কেজি – ০৭ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ২৫ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৪০ গ্রাম।

২০তম সপ্তাহ

  • খাদ্য হিসেবে দানাদার (২.০ এমএম) দিতে হবে।
  • খাবার দিনে ৩ বার (সন্ধ্যা ৬.০০, রাত ১১.০০ এবং ভোর ৫-৬ টায়) মোট মাছের ওজনের ২-৩ % হারে দিতে হবে।
  • ২০ পিস = ১ কেজি সাইজ হবে অর্থাৎ প্রতিটি মাছের ওজন অনুমানিক ৫০ গ্রাম।

Note:

  • প্রতিদিন ২-৩ বার মাড পাম্পের সাহায্যে পিট থেকে বর্জ্য অপসারণ করতে হবে।
  • DO লেভেল সবসময় ৫-৭ পিপিএম (mg/l) থাকতে হবে।
  • pH ৭.৫-৮.৫ থাকতে হবে।
  • NH3 ০.৫ পিপিএম (mg/l) এর নিচে থাকতে হবে।

পানি পরীক্ষার ফলাফল

ক্রমিক প্যারামিটার আদর্শ মাত্রা ফলাফল
পানির pH ৭.৫-৮.৫
অ্যামোনিয়া গ্যাস NH3 ০.০-০.০৫
হাইড্রোজেন সালফাইড H2S ০.০-০.০২
তাপমাত্রা ২৫-৩২
স্বচ্ছতা ২৫-৩৫ সেমি
ভাসমান পদার্থ সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিগ্রাম/লিটার
কার্বন ডাই অক্সাইড CO2 সর্বোচ্চ ১-২ মিলিগ্রাম/লিটার
মোট খরতা ৭০-২০০ মিলিগ্রাম/লিটার
অক্সিজেন O2 ৫-৮ মিলিগ্রাম/লিটার
১০ নাইট্রাইট NO2 <০.১ মিলিগ্রাম/লিটার

 

মাটি পরীক্ষার ফলাফল

ক্রমিক প্যারামিটার আদর্শ মাত্রা ফলাফল
মাটির pH ৬.৫-৮
জৈব কার্বন ১.৫%-২.০%
জৈব পদার্থ ২.৫-৪.৩ মিলিগ্রাম/১০০ গ্রাম
নাইট্রোজেন ৮-১০ মিলিগ্রাম/১০০ গ্রাম
ফসফরাস ১০-১৫ মিলিগ্রাম/১০০ গ্রাম

লেখক: চেয়ারম্যান, এডভান্স এগ্রোটেক (বিডি) লিমিটেড এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ অ্যাকোয়া প্রোডাক্টস কোম্পানীজ এসোসিয়েশন (বাপকা)।

This post has already been read 771 times!