Saturday 4th of February 2023
Home / অন্যান্য / বাংলাদেশ অসম্ভবকে সম্ভব করেছে -ড. মো. মোজাম্মেল হক খান

বাংলাদেশ অসম্ভবকে সম্ভব করেছে -ড. মো. মোজাম্মেল হক খান

Published at জানুয়ারি ১৫, ২০১৮

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কার্টিন ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার আয়োজনে ১৩ হতে ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সম্মেলন কক্ষে ‘রোল অব বিএমডিএ ফর দি ইমপ্লিমেন্টেশন অব এসডিজি’স অ্যাট দ্য গ্রাসরুট লেভেল ইন বারিন্দ এরিয়া’স’ (Role of BMDA for the Implementation of SDGs at the Grassroots level in Barind Areas) শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন এমপি  আকরাম হোসেন চৌধুরি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. রফিকুল আলম বেগ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএমডিএ’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান, বর্তমান নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কার্টিন ইউনির্ভার্সিটি অস্ট্রেলিয়ার সাসটেইনিবিলিটি পলিসি ইনস্টিটিউটের প্রফেসর অ্যান্ড ডিরেক্টর ডোরা ম্যারিনোভা।

সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব ড. মো: মোজাম্মেল হক খান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরোও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিনুল ইসলাম, বগুড়া আরডিএ’র ডিজি প্রকৌশলী এম এ মতিন, কার্টিন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. আমজাদ হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রফেসরবৃন্দ, বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ, নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দ, বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক, রাজশাহীতে অবস্থিত কৃষি গবেষণা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের  প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এর ভবিষ্যত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয় যা টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং ২০৩০ সালের এসডিজি অর্জনে সহায়ক হবে বলে জানা যায়।

সমাপনী দিনে Barind Academy For Sustainable Development and Environment (BASDE) নামক একটি প্রতিষ্ঠানের সূচনা হয়।

This post has already been read 1962 times!