৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮ রবিউল-আউয়াল ১৪৪৩
শিরোনাম :
https://mailtrack.io/trace/link/f26343803e1af754c1dd788cd7a73c22043d5987?url=https%3A%2F%2Finnovad-global.com%2Flumance&userId=1904341&signature=5e74e7dc17531970

রাজশাহীতে উন্নত মানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Published at সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ-হিল-কাফি (রাজশাহী) : কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের (৩য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত) আওতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, ঢাকার অর্থায়নে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজশাহীর পবা উপজেলায় অবস্থিত “আশ্রয় মিলনায়তন”-এর হলরুমে দিনব্যাপী উক্ত আঞ্চলিক কর্মশালা ২০২১-২২ অনুষ্ঠিত  হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সভাপতি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. খয়ের উদ্দিন মোল্লা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ খায়রুল আলম, প্রকল্প পরিচালক, উন্নত মানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরন প্রকল্প (৩য় পর্যায়) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. শামছুল ওয়াদুদ।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বীজ হতে হবে মানসম্মত। আমাদের দেশে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এই ধরণের কর্মসূচীর গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি প্রকল্পে সুবিধাভোগী কৃষকদের নিয়ে “এসএমই” গঠনকে অত্যন্ত যুগপোযোগী বলে মন্তব্য করেন।  এজন্য এই সকল দলে টেকসই কর্মকান্ড যেন বজায় থাকে, এ বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া তিনি এসএমই হতে উৎপাদিত মান সম্মত বীজ কৃষক পর্যায়ে ব্যবহার বৃদ্ধিও ওপর বিশেষ গুরত্ব প্রদান করেন।

প্রকল্প পরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভালো বীজ ব্যবহার করে শতকারা ১৫-২০ ভাগ ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর পুষ্টি নিরাপত্তায় ডাল অত্যবশ্যকীয় এমাইনো এসিড থাকে বলে তা চাষাবাদে কৃষকদের আরো এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, উত্তম পরাগায়নের জন্য মৌমাছি পালন করে মধুর চাহিদাও পূরণ সম্ভব। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ডাল, তৈল ও মসলা বীজ চাষে কৃষক লাভজনক ফসল হিসাবে এর আবাদ সম্প্রসারণ করছে। এছাড়া রাজশাহী অঞ্চলে একটু গরম বেশি থাকায় বীজ সংরক্ষণের জন্য উপযোগী আবহাওয়া বিরাজ করে, তাই বীজ উৎপানে চাষীদের আরোও এগিয়ে আসার জন্য আহবান করেন।

সভাপতি প্রকল্প হতে মৌবাক্স প্রদান এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদানকে যুগোপযোগী বলে উল্লেখ করেন এবং এই প্রকল্পের কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশ একধাপ এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি, বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্র, ইশ্বরদীর ডাল গবেষণা কেন্দ্র, এসসিএ এবং প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ নিজ নিজ কর্মকান্ড সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেন এবং প্রকল্প সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। কর্মশালায় কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১০০ জন উপস্থিত ছিলেন।

This post has already been read 223 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN