১২ মাঘ ১৪২৮, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩
শিরোনাম :
https://mailtrack.io/trace/link/f26343803e1af754c1dd788cd7a73c22043d5987?url=https%3A%2F%2Finnovad-global.com%2Flumance&userId=1904341&signature=5e74e7dc17531970

পোলট্রি নিয়ে কথিত গবেষণার লক্ষ্য কি উন্নয়ন নাকি ক্ষতি সাধন -মসিউর রহমান

Published at ডিসেম্বর ১১, ২০২১

ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা’র (ওয়াপসা-বিবি) সভাপতি মসিউর রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা’র (ওয়াপসা-বিবি) সভাপতি মসিউর রহমান বলেছেন, পোলট্রি শিল্প নিয়ে কথিত গবেষণার লক্ষ্য কি দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়ন? নাকি ক্ষতি সাধন করা- সে বিষয়েও আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। সম্প্রতি ব্রয়লার মাংস নিয়ে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন। গবেষণাটি কিভাবে হয়েছে, নমুনা সংগ্রহ, গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণার উদ্দেশ্য প্রভৃতি বিষয় খতিয়ে দেখা দরকার, যোগ করেন মসিউর রহমান।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা’র (ওয়াপসা-বিবি) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি- এ ধরনের গবেষণাগুলো Problematic এলাকা ধরেই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে গবেষণা না করেই অনেকক্ষেত্রে বলে দেয়া সম্ভব, Result কী আসতে পারে। বিজ্ঞান ও শিল্প একে অন্যের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। পোল্ট্রি একটি বিজ্ঞানভিত্তিক শিল্প। তাই দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান ও গবেষণাকে যথোপযুক্তভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং সেক্ষেত্রে ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করতে পারে।

মসিউর রহমান বলেন,  যে এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সে এলাকার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত দূষণের খবর প্রচার করেছে  একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল; অথচ ট্যানারি কিংবা গার্মেন্টস শিল্পকে দোষী না বানিয়ে পোল্ট্রি শিল্পকে ভিলেন বানানো হচ্ছে। বরাবরের মত এ গবেষণাতেও আনঅর্গানাইজড সেক্টর এবং অনিবন্ধিত পোল্ট্রি খামার ও ফিড মিলকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অর্গানাইজড সেক্টর নিয়ে গবেষণা হচ্ছেনা। সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকেও আমলে নেয়া হচ্ছেনা। তাই এ বিষয়ে আমাদের কাজ করা দরকার।  বেশ ক’বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক এক অধ্যাপকের ভুল গবেষণার বলি হতে হয়েছিল দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পকে। সে কারণেই এ ধরনের গবেষণাগুলো সম্পর্কে আমাদের ভালভাবে জানা দরকার। এর পাশাপাশি অরগানাইজড সেক্টর নিয়ে একাধিক গবেষণাও করা দরকার। তা না হলে দেশীয় পোল্ট্রি শিল্প কতটা অগ্রগতি অর্জন করেছে; ডিম ও মুরগির মাংসের Quality KZUv Improveকরেছে- সে সম্পর্কে সাধারন ভোক্তারা কিছুই জানতে পারছেন না। ফলে তাঁরা ভুলের মাঝেই রয়ে যাচ্ছেন এবং মুরগির মাংস ও ডিম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণাই পোষণ করছেন। বর্তমান কমিটি চেষ্টা করবে এ বিষয়েও কিছু কাজ করতে এবং জনমনে বিরাজমান বিভ্রান্তিগুলো দূর করতে।

তিনি আরো বলেন, সদস্য সংখ্যা এবং প্রায়োগিক ক্ষেত্রে অবদান বিবেচনায় ওয়াপসা- বাংলাদেশ শাখা বিগত বছরগুলোতে বিশ্বে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে। এ সম্মান আমরা ধরে রাখতে চাই। আমি মনে করি শুধুমাত্র সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে নয় বরং মৌলিক গবেষণা, ইনোভেটিভ এপ্রোচ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার মাধ্যমেই আগামীতে ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখা তার স্বকীয়তা, স্বাতন্ত্র্য ও সম্মান অক্ষ‚ন্ন রাখবে। প্রত্যেকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদানের মধ্য দিয়েই আজকের অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা সামনে এগুতে চাই এবং সেজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

This post has already been read 708 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN