Sunday 22nd of May 2022
Home / খাদ্য-পুষ্টি-স্বাস্থ্য / খাদ্য অপচয় বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধি

খাদ্য অপচয় বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধি

Published at অক্টোবর ৩০, ২০১৯

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: খাদ্য অপচয় বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। বিয়ে, মেজবানসহ নানা অনুষ্ঠানে প্রচুর পরিমান খাবার অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে এখনো একশ্রেণীর মানুষ পরিপূর্ণভাবে তিন বেলা খাবার পায় না। তাই খাবার অপচয় রোধে যেমন সামাজিক সচেতনতা তৈরি দরকার, তেমনি সুষম খাদ্য গ্রহণের বিষয়ে সর্ব সাধারনের মাঝে বৈজ্ঞানিক তথ্য সরবরাহ করতে হবে। বুধবার (৩০ অক্টোবর)  চট্টগ্রাম নগরীর বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে “টেকসই উন্নয়নে পুষ্টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনঃ সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন এর ভূমিকা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত বক্তারা এসব কথা বলেন।

গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে পেট ভর্তি করেন আর উন্নত দেশগুলোতে খাদ্য পরিবেশন দেখে মানুষ মুগ্ধ হয়। ফলে মানুষের অতি ভক্ষণ শরীরের উপকারের চেয়ে অপকার করছে। মানুষ এখন আর না খেয়ে মরছে না, মানুষ মরছে অতি ভক্ষনের ফলে। ফলে হার্ট অ্যার্টাক, ক্যান্সার, স্থুল হয়ে যাওয়াসহ নানা মারাত্মক ব্যাধি এখন নিত্যসঙ্গী। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিয়ে, মেজবানসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে বিপুল ভুরি ভোজনের কারনে বিপুল পরিমান খাদ্য অপচয় হচ্ছে। আর এই খাদ্য অপচয় রোধ করা গেলে বিপুল সংখ্যক ক্ষুদার্থ মানুষের মুখে অন্ন যোগানো সম্ভব হতো।

জাতীয় পুষ্টি পরিষদের মহাপচিালক ডা. মো. শাহনেওয়াজ বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগ পুষ্টির চাহিদা পুরণে পিছিয়ে আছে। সরকার নানামুখী তৎপরতা পরিচালনা করলেও জনসম্পৃক্ততার ঘাটতির কারণে কাংখিত সাফল্য আসছে না। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সিএসএ সানসহ বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সংগঠনের এ কাজের সাথে আরও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

মুল প্রবন্ধে অধ্যাপক আলতাফ হোসেন চট্টগ্রাম বিভাগে পুষ্টি সুচকের নিম্ন অগ্রগতির কারণ ব্যখ্যা করেন। সেবাগ্রহীতাদের সচেতনতা ও তাদেরস্বার্থ সংরক্ষনে শক্তিশালী নাগরিক সমাজের ভুমিকা অনস্বীকার্য। শক্তিশালী নাগরিক সমাজ ও তাদের কার্যকর ভুমিকার রাখা সম্ভব হলে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

This post has already been read 1552 times!