৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮ রবিউল-আউয়াল ১৪৪৩
শিরোনাম :
https://mailtrack.io/trace/link/f26343803e1af754c1dd788cd7a73c22043d5987?url=https%3A%2F%2Finnovad-global.com%2Flumance&userId=1904341&signature=5e74e7dc17531970

নওগাঁর পত্নীতলায় আঊশ ধানের মাঠ দিবস

Published at সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১

মো. দেলোয়ার হোসেন টিপি (রাজশাহী) : গত ০৮ সেপ্টেম্বর নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে পাটিচড়া ইউনিয়নের পাটি আমলাই ব্লকের পাহাড়কাটা গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় আউশ ধান কর্তনের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসের শুরুতেই রৌর্দ্রজ্জল সকালে কৃষক মো: সোহেল রানার জমিতে রোপা আঊশ জাতের ব্রিধান-৪৮ কর্তনের জন্য ২০ বর্গমিটার মাপের জমি নির্বাচন করা হয় এবং কর্তন শেষে মাড়াই-ঝাড়াই করে শুকনা ফলন ধানে হেক্টরে ৫.৮৬ মেট্রিক টন পাওয়া যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক এবং সভপত্বিত করেন নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রকাশ চন্দ্র সরকার ।

মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা হচ্ছে জেলার মধ্যে ধান উৎপাদনে জন্য প্রধান এলাকা। রোপা আউশ ধান ব্রিধান-৪৮ জাতের ধান চাষ করে ভাল ফলন পাওয়া যায়। আবার এই ধান কর্তন করে দেশীয় জাতের রোপা আমন এবং আতব ধান চাষ করে ভাল ফলন পাওয়া যায়। তাই রোপা আউশ ধান হিসাবে ব্রিধান-৪৮ জাতের ধান চাষ করে ভাল ফলন পাওয়া যায়। তাই ব্রিধান-৪৮ জাতের রোপা আউশ ধানের ভাল ফলন হওয়ায় দেশের খাদ্য চাহিদা পূরুনে অগ্রনী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নওগাঁ জেলার মধ্যে পত্নীতলা উপজেলা খাদ্যে উদ্বৃত্ত এলাকা হিসাবে পরিচিত। তিনি উপস্থিত কৃষকভাইদের আগামীতে রোপা আউশ ধান কর্তন পরবর্তী সময় গম, আলু, পিয়াজ, ভুট্টা, ডাল, তেল, শাক-সবজি ও বিভিন্ন ফল চাষের অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা কৃষি অফিসার তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, শস্য কর্তনের মাধ্যমে ফসলের ফলন সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়। তাই সকল ফসলের শস্য কর্তনের মাধ্যমে ভুলক্রটি সংশোধন করে নেয়া সম্ভব হয়। তিনি আরো বলেন, উপজেলায় এ বছর আমন ধানের যে পরিমান আবাদ করা সম্ভব হয়েছে তা যদি রোগবালাই বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হয় তাহলে রোপা আমন ধানের ভাল ফলন পাওয়া সম্ভব হবে যা দেশের খাদ্য চাহিদা পুরুনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে। তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের সর্বাত্বক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।

ধান কর্তন ও মাঠ দিবস ব্রিধান-৪৮ জাতের আউশ ধানের উপর অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপ সহকারী কৃষি অফিসারগণসহ  প্রায় ৬০ জন আদর্শ কৃষক  উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাইমিনুল ইসলাম।

This post has already been read 178 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN