১১ মাঘ ১৪২৭, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২ জমাদিউস-সানি ১৪৪২
শিরোনাম :

স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে -শ ম রেজাউল করিম

Published at ডিসেম্বর ৮, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তির সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে যেকোন মূল্যে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) পিরোজপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুরের গোপাল কৃষ্ণ টাউন হল মিলানয়তনে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সমীর কুমার দাস বাচ্চু ও গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য কেউ যাতে ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য বিজয়ের মাসে আমাদের আবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের পর বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো। গোলাম আযমসহ যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসে আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার করেছেন। একইসাথে তিনি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছেন।”

তিনি আরো যোগ করেন, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নত-সমৃদ্ধ। এই শান্তিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে আবার নতুন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে একটি মহল। তারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। তাদেরকে যেকোন মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। ত্রিশ লক্ষ শহিদের স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন কোনভাবেই নষ্ট হতে দেয়া হবেনা।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর। কিন্তু পিরোজপুর ৮ ডিসেম্বরেই হানাদারমুক্ত হয়েছিলো। পিরোজপুরের মানুষের সে গৌরবগাঁথা ও ঐতিহ্য সম্মিলিতভাবে ধরে রাখতে হবে।”

This post has already been read 218 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN