৪ কার্তিক ১৪২৭, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ৩ রবিউল-আউয়াল ১৪৪২
শিরোনাম :

মা ইলিশ রক্ষায় দেশজুড়ে কোস্ট গার্ডের অভিযান শুরু

Published at অক্টোবর ১৪, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: মা ইলিশ রক্ষায় দেশজুড়ে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। আইন অনুযায়ী প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতে সচেতনতা কার্যক্রমের পাশাপাশি আইন প্রয়োগে তৎপরতা চালাচ্ছে বাহিনীটি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর সোয়ারীঘাট মাছের আড়ৎ ও তৎসলগ্ন বিভিন্ন নদী এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে কোস্টগার্ডের ঢাকা জোনাল টিম। এছাড়া দেশজুড়ে ইলিশ মাছের প্রজনন ক্ষেত্র কেন্দ্রিক বিভিন্ন নদীগুলোতে একযোগে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়।

কোস্ট গার্ড ঢাকা জোনের কমান্ডার এটিএম রেজাউল হাসান বলেন, ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সর্বমোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সময়ে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা চালানো হবে। এছাড়া, মাছের আড়তগুলোতেও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কারণ ব্যবসায়ীরা মাছ না কিনলে, মাছের যোগান বন্ধ হবে। জেলেরা মাছ ধরতে উৎসাহী হবেন না।

এ সময়ে বিভিন্ন নদী এলাকায় কোস্টগার্ডের বিশেষ টহল পরিচালিত হবে। যদি কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ ধরেন, কেনাবেঁচা বা পরিবহন করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মৎস্য অধিদফতরের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর বলেন, ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ ধরা, কেনা-বেঁচা, পরিবহন বন্ধ থাকবে। এ সময়ে কারো কাছে একটি ইলিশ পাওয়া গেলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ আইন অমান্যকারীকে ১-২ বছরের জেল অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

এ সময় পর্যন্ত যেসব জেলেরা মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকবেন তাদেরকে সরকারের কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেককে ২০ কেজি করে চাল প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

কোস্টগার্ড সদর দফতর জানিয়েছে, ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০’ এর আওতায় কোস্ট গার্ড তৎপর ভূমিকা পালন করছে। বাহিনীটির দায়িত্বাধীন এলাকায় জনসচেতনতা তৈরি করতে ইতোমধ্যে লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং, মাইকিংসহ নানাভাবে প্রচারনা চালানো হয়েছে। অভিযান সফল করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কর্তৃক একক ও যৌথভাবে বিভিন্ন অভিযান পরিচালিত হবে।

এই অভিযানের আওতায় কোস্ট গার্ডের ৫টি ঘাঁটি, ২৩টি ছোট-বড় জাহাজ এবং ৫৮টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী কন্টিনজেন্টের সদস্যরা শতাধিক বোটের মাধ্যমে নদীতে সার্বক্ষনিক টহলে নিয়োজিত থাকবে।

This post has already been read 147 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN