৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, ২২ জিলক্বদ ১৪৪১
শিরোনাম :

বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের কমেন্সমেন্ট অনুষ্ঠিত

Published at জানুয়ারি ১২, ২০২০

দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর অনেক স্বপ্ন এখন বাস্তব হয়ে আমাদের সামনে উঠে এসেছে। গত এগার বছর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। আমাদের আজকের উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরেই তার সুযোগ্য কন্যা আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়ন করছেন।  নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল এবং বেড বৃদ্ধিসহ ইউনিয়ন পর্যায়ে ডাক্তার পদায়ন এবং প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন উল্লেখযোগ্য। সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং সে লক্ষ্য অর্জনে কাজ চলমান।

চিকিৎসা পেশা একটি মহৎ সেবামূলক পেশা, সেবার দ্বারা মানুষের আস্থা ও ভালেবাসা অর্জনের আস্থা অর্জন করতে হবে। এই মহান ও উৎকৃষ্ট পেশার মাধ্যমে মানুষের কাছে যাওয়া, তাদের সেবা করার সুযোগ আছে । চিকিৎসা সেবাকে আরও উন্নত করা ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। চিকিৎসদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। শৃংখলা, সততা ,নিষ্ঠা, একাগ্রতা, দেশপ্রেম, মানবিক মুল্যবোধকে সমুন্নত রেখে সেবা করতে হবে; মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করতে হবে। পাশ করে বের হয়ে কর্মক্ষেত্রের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে আলোকিত সমাজ গড়বে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক রাজধানীর ধানমন্ডিতে কলেজ ক্যাম্পাসে; বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের ২০১৯-২০ বর্ষের ৩৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কমেন্সমেন্ট অনুষ্ঠানে এসব বথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলেই দেশ উন্নত হবে। বঙ্গবন্ধু আমাদের একটা স্বাধীন দেশ দিয়েছেন, আমাদের নিজস্ব পরিচয় দিয়েছেন। দেশের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনার সূচনা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই। বঙ্গবন্ধুকে আমাদের মধ্যে আজীবন বাঁচিয়ে রাখতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।  তোমরা আগামীর বাংলাদেশের চালিকা শক্তি,তোমাদেরকেই সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিজেদের সোনার মানুষ হতে হবে। ভালো ডাক্তারের সাথে সাথে একজন ভালো মানুষ হতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তোমরা আজ নবীন, তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। যে মেধা নিয়ে তোমরা ভর্তি হয়েছো সেই মেধাকে আরও পরিশিলিত করে নিজেদেরকে দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে তৈরী হতে হবে। দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় একজন নিবেদিত প্রাণ সেবক হবে। মানব সেবায় এমন কিছু করে যেতে হবে যা চীরদিন মানুষ মনে রাখবে। মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাই মেডিকেল কলেজে পড়তে আসে। যারা ভর্তি হয়েছে তারা বেস্ট স্টুডেন্টস ।

ভালো ডাক্তার হতে হলে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। এর পাশাপাশি ভালো মানুষও হতে হবে। রোগগ্রস্থ মানুষের চিকিৎসকই বড় অবলম্বন, বড় বন্ধু, অসহায়ের সহায়। এজন্যই চিকিৎসা সেবা মহান পেশা হিসেবে গণ্য। দেশের প্রতি মানুষের প্রতি যারা আন্তরিক, যাদের সেবা করার একান্ত মানসিকতা আছে, শুধুমাত্র তারাই এই মহান পেশায় আসেন বলে উল্লেখ করেন কৃষিমন্ত্রী।

কলেজ পরিচালনা বোর্ডর সদস্যবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই কলেজের পরিবেশ ঠিক রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। সবাই মিলে একটি টিম হয়ে সহযোগীতা সহমর্মীতা ও সহনশীলতার মাধ্যমে কাজ করলে এই কলেজ হবে একটি আদর্শ বিদ্যাপিঠ। আর এটা না করতে পারলে জাতির কাছে আমরা ব্যার্থ হিসেবে পরিগণিত হবো বলে উল্লেখ্য করেন তিনি। বর্তমান কলেজের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ৩৪ তম ব্যাচের ৪০ জন বিদেশি শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০ জন নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো।

কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা.পরিতোশ কুমার ঘোষ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ এর গর্ভনিং বডির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকালটির ডিন ডা.শাহরিয়ার নবী, ইঞ্জিনিয়ার মো. সিদ্দিক উল্লাহ – কো- চেয়ারম্যান নির্বাহী কমিটি, বিএমএসআরআই।

This post has already been read 689 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN