৮ ফাল্গুন ১৪২৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৪ জমাদিউস-সানি ১৪৩৯
শিরোনাম :

বন্ধ্যাত্ব, জরায়ূর কান্সারসহ নানা রোগের মহৌষধ বী পোলেন

আয়শা সিদ্দিকা

বী পোলেনকে (Bee Pollen) বলা হয় প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের সম্পূর্ণ খাবার (Super Food) ৷ বী (Bee) অর্থ মৌমাছি আর পোলেন(Pollen) বলতে আমরা বুঝি ফুলের পরাগরেণু ৷ ফুলের পুংকেশরের মাথার যে হলুদ রঙের ছোট ছোট কণা থাকে তাকে পরাগরেণু বলে। মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে যখন মধু সংগ্রহ করে তখন এই পরাগরেণু মৌমাছির মুখ, চোয়াল, পা এবং ডানার লেগে যায় ৷ মৌমাছি যখন মৌচাকে ফিরে আসে তখন মৌচাকের প্রবেশ পথে পিছনের পা দিয়ে গায়ের পোলেন গুলো ঝেড়ে ফেলে ৷ এই সমস্ত পোলেন মৌচাকের প্রবেশ পথের একটি বিশেষ স্থানে জমা হতে থাকে ৷ পোলেনের সাথে একটা বিশেষ উপাদান মিশ্রিত থাকে ৷ ধারণা করা হয় মৌমাছির হজমের সমর যে সমস্ত এনজাইম কাজ করে পোলেনেও সেই এনজাইম গুলো মিশ্রিত অবস্থায় থাকে ৷ মৌমাছি যখন ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে তখন মৌমাছির মুখ থেকে এক প্রকার লালা নিঃসৃত হয় যা পোলেনের সাথেও মিশে যায় ৷ মৌমাছি এই পোলেন সংগ্রহ করে বলে এর নাম বী- পোলেন ৷

বী-পোলেন একটি উৎকৃষ্ট মানের প্রাকৃতিক খাবার ৷ এতে থাকে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ভিটামিন, প্রায় সকল প্রকার মিনারেল, এমিনো এসিড এবং অনেক রকম এনজাইম ৷ তরুন মৌমাছিদের বী-পোলেন খাওয়ানো হয়। এছাড়া এটাকে Nursing Food ও বলা হয় ৷ মানব দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান বী-পোলেনে পাওয়া যায় ৷

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ, বাইবেল, প্রাচীন চাইনিজ ও মিশরীর বইয়ে মানবদেহের ক্ষয়রোধের জন্য বী পোলেনের প্রশংসা করা হয়েছে৷ ঔষধ হিসেবে বী পোলেন প্রয়োগ করে অনেক ভাল ফল পাওরা যায় ৷ বী পোলেন খাওয়ার পর খুব দ্রুত ও সহজেই দেহে শোষিত হয় এবং পাকস্থলী থেকে সরাসরি রক্তে চলে যায়৷ খাওয়ার ২ ঘন্টা পরে, রক্তে ও সেরিব্রাল ম্পাইনাল ফ্লুইডে এবং মূত্রে বী পোলেন দেখা যায় ৷

মজার ব্যাপার হলো, এই বী-পোলেন ল্যাবরেটরিতে তে চাষ করা যায় না । ল্যাবরেটরিতে তৈরীকৃত পোলেনের ওপর প্রার হাজার খানেক রাসায়নিক পরীক্ষা করে অনেক উপাদান সনাক্ত করা গেলেও এখনো কিছু উপাদান সনাক্ত করা সন্তুব হয়নি ৷ মৌমাছি কিছু অতিরিক্ত উপাদান পোলেনে যোগ করে যা রহস্যময় ৷ শরীরকে অসুস্থতা থেকে রক্ষা করতে এই সমস্ত রহস্যময় উপাদান কাজ করে বলে মনে করা হয় ৷

বী পোলেন একটি জনপ্রিয় পুষ্টিকর উপাদান । এতে ৩৫% প্রোটিন, ৫৫% কার্বোহাইড্রেট ২% ফ্যাটি এসিড এবং ৩% মিনারেল ও ভিটামিন থাকে ৷ প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি(B) কমপ্রেক্স এবং ভিটামিন A,C,D এবং E থাকে ৷ এছাড়াও লেসিথিন, মিটা-ক্যারোটিন ও সেলেনিইয়াম পাওয়া যা্য় ৷
বী পোলেন বিভিন্ন উপাদানের সমস্বরে গঠিত বলে এটা এন্টি-অক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস ৷ এতে ফ্লাভোনয়েড নামে এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকে ৷

এছাড়াও লাইকোসাইড লুটিন, কোয়েরসেটিন, মাইরিসিটিন, এবং ট্রান্স সিনামিক এসিড এবং অন্যান্য বায়ো ফ্লাভোনয়েড থাকে ৷বী পোলেনে প্রায় ১৮ রকম এমিনো এসিড, পেন্টোথেনিক এসিড, ফলিক এসিড, কোলিন, ইনোসিটল, ২৮টি মিনারেল (যেমন-ক্যালসিরাম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ইত্যাদি) ট্রেস মিনারেল, ১০ রকমের এনজাইম, কো-এনজাইম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান থাকে  এবং এতে কোন কোলেস্টেরল থাকে না ৷
ব্যবহারঃ

অসংখ্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বী পোলেন বাঁধা দেয় ৷ বী পোলেনে থাকে এন্টিবায়টিক উপাদান যা স্যালমনিলাসহ ব্যাকটেরিরার আরও কিছু স্ট্রেইন এর বিরুদ্ধে কাজ করে। বী পোলেন ইনটেস্টাইনাল কাজের গতি নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রচুর পরিমানে সেলুলোজ ও আঁশ (Fiber) এবং এন্টিবায়টিক উপাদান থাকার জনা এই সমস্ত কাজের উপর প্রভাব পড়ে ৷ এটা রক্তের উপাদানের উপর ভাল প্রডাব ফেলে ৷ যেমন- শ্বেত এবং লোহিত রক্ত কণিকার উদ্দীপনা বৃদ্ধি পার | এনিমিয়া রোগীর উপর বী পোলেন প্রয়োগে তাদের হিমোগ্লোরিন লেভেল বৃদ্ধি পায় ৷

জরায়ুর কান্সার প্রতিরোধ: জরায়ুর কান্সারে আক্রান্ত যে সমস্ত মহিলাদের ক্ষেত্রে অপারেশন ও কেমোথেরাপী দেওয়া সম্ভব নয় তাদের খাবারের সাথে বী পোলেন প্রয়োগ করে খুব দ্রুত ভাল ফল পাওয়া যায় ৷ যেমন- তাদের ক্যান্সার ফাইটিং ইমিউনো সিস্টেম কোষ, এন্টিবডি উৎপাদন, অক্সিজেন বহনকারী লোহিত রক্ত কণিকা বৃদ্ধি পায় ৷ এই সমস্ত মহিলারা কেমোথেরাপী দেওয়ার ফলে যে সমস্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেমন- চুল পড়ে খাওরা, ঘুম না হওয়া এইসব সমস্যা থেকে রক্ষা পায় ৷

Lymphocytes বা শ্বেতকনিকা দেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সৈনিকের ভূমিকা পালন করে। ক্ষতিকর উপাদান, রোগাক্রান্ত কোষ, ক্যান্সার কোষ, ভাইরাস এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে মুক্ত করার জন্য শ্বেত কনিকা দায়ী ৷ গামা গ্লোবিউলিন রক্তের একটি প্রোটিন যা রোগ আক্রমনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে ৷

বন্ধ্যাত্ব দূর করতেঃ বী পোলেন জরায়ুর কাজকে উদ্দীপিত করে ৷ প্রানিজ প্রোটিনের সাথে পোলেন মিশিয়ে প্রয়োগ করলে জরায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পার ৷ এছাড়া পোলেন ডিম্বানুর সক্ষমতা এবং ডিম্বানু পরিস্ফুটনের সময় বৃদ্ধি করে ৷ যা প্রজননের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এলার্জি প্রতিরোধে: আমরা জানি, পোলেন অর্থাৎ ফুলের পরগোরেণু এলার্জি ও এলার্জিজনিত জ্বরের (Hay fever) জন্য দায়ী ৷ কিন্তু বী পোলেন এলার্জি বা এলার্জিজনিত জ্বরের ক্ষেত্রে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে ৷ ঋতু শুরুর ৬ সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করে পুরো ঋতু বী পোলেন গ্রহন করলে এলার্জির আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায় ৷ যারা বয়সের কারণে এলার্জিতে ভোগে তাদের ক্ষেত্রেও বী পোলেন কার্যকরি ভুমিকা পালন করে ৷ বী পোলেন রোগীর দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এন্টি বডি তৈরী করে যা এলার্জির আক্রমণ প্রতিহত করে ৷ শিশু রোগের বিরুদ্ধে এটা প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে ৷ যারা ৩ বছর ধরে বী পোলেন গ্রহণ করে তারা কোন রকম খাদ্যাভাস বা জীবনযাপন পরিবর্তন না করেই সকল একার এলার্জি জনিত লক্ষণ থেকে মুক্ত।

এলার্জিজনিত জ্বর (Hay fever), পোলেন ঘটিত এ্যাজমা, ব্রংকাইটিস, আলসার, মলাশরের ব্যথা, মাইগ্রেনের জন্য মাথা ব্যথা, মুত্রাশয় অনিয়ন্ত্রিত, এসব ক্ষেত্রে বী পোলেন সম্পূর্ণভাবে সফল ৷ এ্যাজমা থেকে শুরু করে সাইনাসের সমস্যা সব ক্ষেত্রে বী পোলেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
শারীরিক সক্রিয়তাঃ প্রতিদিন বী পোলেন গ্রহন করলে ৪ ০-৫০ % শক্তি বৃদ্ধি পায় ৷ তরুনরা পোলেন গ্রহনের মাধ্যমে তাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারে৷ বর্তমানে সবদেশের খেলোয়ারদের খাবার হিসেবে বী পোলেন দেয়া হয় এবং এতে তাদের শক্তি ও কাজের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায় ৷ অপরপক্ষে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই ৷ এছাড়া বী পোলেন পালস রেট (হার) কমায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে প্রায় ২৫% ৷ বী পোলেন প্রাকৃতিক ভাবে পাওয়া যায় এবং এতে কোন কেমিক্যাল এবং কোন স্টেররেড নাই ৷

ওজন নিয়ন্ত্রণ :  ওজন নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে বী পোলেন একটি কার্যকরী উপাদান ৷ বী পোলেন গ্রহনের কলে দেহের মেটাবলিক প্রোসেসে উদ্দীপনা তৈরী হর এবং গতি বাড়ে, ফলে ক্যালরি ক্ষর হয় ৷ বী পোলেনকে বলা হয় ওজন কমানোর সত্যিকার প্রাকৃতিক খাবার ৷ এতে থাকে কম ক্যালরি ৷ ১ আউন্স পোলেনে থাকে মাএ ৯০ ক্যালরি (১ আউন্স= ২ টেবিল চামচ) ৷ এটা ১৫% লেসিথিন দেয় ৷ লেসিথিন দেহ থেকে চর্বি দ্রবীভূত করে বের করে দিতে সাহায্য করে ৷ অন্যান্য যে কোন খাবারের চেয়ে বী পোলেন দ্রুত LDL (শক্র) লেভেল কমিয়ে দেয় এবং HDL (বন্ধু) লেভেল কমিয়ে দেয় বাড়িয়ে ৷ যা আমাদেরকে কে৷লেস্টেরল এবং হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে ৷

বী পোলেনে থাকে ফিনাইল এলানিন ৷ এটি একটি প্রাকৃতিক এমিনো এসিড যা দেহের জন্য প্রয়োজনীয়৷ এটা দেহের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন করে ৷ দেহে খাবার গ্রহণ প্রয়োজন কিনা, খাবার সম্পূর্ণ হরেছে বা আরো খাবার লাগবে কিনা এসব ব্যাপারে ফিনাইল এলানিন দেহে সংকেত পাঠায় ৷ যদি কখনো শরীরের ওজন অতিরিক্ত হবে যায় তখন নিয়মিতভাবে বী পোলেন গ্রহন করা উচিত ৷ কারন বী পোলেনে অবস্থিত ফিনাইল এলানিন দেহে প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দিয়ে ক্ষুধা কমিরে দেয় ৷ ফলে ওজন কমে যায় ৷ আবার যখন কারো দেহে ওজন বৃদ্ধি করার প্ররোজন হয় তখন বী পোলেন ঠিক রিপরীত ভাবে কাজ করে ।

স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যঃ সৌন্দর্যের মূল কথা হল ভাল স্বাস্থা ৷শরীর চর্চা এবং খাবার পরিবর্তনের মাধ্যমে একজন পুরুষ বা নারী আকর্ষনীর হতে পারে ৷ কম পুষ্টি গ্রহন বা ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে কারো ত্বক বিবর্ন বা অমসৃন হতে পারে বা আকর্ষন হারাতে পারে ৷ এই অস্বাস্থ্যকর ত্বক বা বুড়িরে যাওয়া ত্বক রক্ষা করতে বী পোলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ৷

প্রতিদিনের খাবারে যখন বী পোলেন যোগ করা হর তখন এটা শুধু স্বাস্থ্যই ভাল রাখে না, নিরাপদ ও স্থায়ীভাবে ওজনও কমায় ৷ অপরপক্ষে দেহের বাইরের প্রতিটি অংশ মসৃণ, কোমল এবং পুনরুজ্জীবিত করে ৷ এছাড়া বাহ্যিকভাবে যদি বী পোলেনের যে কোন প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়, তাহলে মুখের সমস্ত দাগ, মেছতা বা যেকোন রকম ফুস্কুরি দূর হয় এবং মুখমন্ডলকে চকচকে করে বা ত্বককে নতুন জীবন দান করে । বী পোলেনের একটি বায়োলজিক্যাল প্রভাব আছে, যা অপ্রাপ্ত বয়স্ক এজিং কোষকে রক্ষা করে এবং ত্বকে নতুন কোষ বৃদ্ধিতে উদ্দীপিত করে ৷ এর ফলে ত্বক থেকে পানির অপসারন কম হয় এবং শুষ্ক কোষ গুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় ৷ এতে ত্বকের বলিরেখা দূর হয় এবং ত্বকের সমস্ত কোষে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় ৷

বী পোলেন ব্যবহার করার ফলে ত্বকে তারুন্য আসে, বলিরেখা কাম যার, ত্বক কোমল এবং স্বাস্থ্যকর হয় ৷ মুখের যে কোন প্রকার সমস্যায় বী পোলেন ব্যবহার করা যেতে পারে ৷ ত্বক/চামড়াপুনরুজ্জীবিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ৷ কারণ এতে প্রচুর পরিমানে নিউক্লিয়িক এসিড (DNA ও RNA) থাকে যা প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক উপাদান ৷ বী পোলেনে অবস্থিত বিভিন্ন ভিটামিন, এনজাইম, হরমোন, এমিনো এসিড এবং ক্ষুদ্র উপাদান ত্বক এবং দেহের কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে উৎসাহিত করে ৷

যৌবন ধরে রাখতে : বয়স বৃদ্ধিকে দীর্ঘায়িত করতে বী পোলেন একটি চমৎকার প্রতিষেধক এবং চিকিৎসা পদ্ধতি ৷ বী পোলেন শারীরিক এবং মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বিশেষ করে মনোযোগ এবং স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, মেটাবলিক ফাংশন এবং cardiovascular & respiratory systems এর শক্তি বৃদ্ধি করে ৷ প্রাকৃতিক পুষ্টি যা বী পোলেন থেকে পাওয়া যায় এটি cardiovascular disease বা হৃদরোগ এর ঝুঁকি কমিয়ে দেয় । এছাড়া বৃদ্ধ বয়সে, গর্ভাবস্থার এবং শিশু অবস্থার যে পুষ্টির ঘাটতি থাকে বী পোলেন তা প্রতিরোধ করে ৷ অপারেশনের সমর বা অসুস্থতার সময় দেহে যে শারীরিক শক্তির ঘাটতি থাকে বী পোলেন তা পূরণ করে ইমিউনো সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে, শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে এবং হরমোনের কাজকে প্রভাবিত করে ৷ এছাড়া বী পোলেন রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে ৷

ব্যবহার পদ্ধতি: বিভিন্ন রিটেইল শপে বী পোলেন পাওয়া যায়। ক্যাপসুল, পাউডার বা দানাদার হিসেবেও পাওয়া যায় ৷ দানাদার বী পোলেন আউন্স বা পাউন্ড হিসেবে বিক্রি হয় ৷ ক্যাপসুলে থাকে ৫০০ থেকে ১০০০mg বী পোলেন ৷ রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ক্যাপসূল দিনে ১টি করে ২-৩ বার এবং দানাদার বা পাউডার প্রথমে ১ চা চামচ কার দিনে ১ বার, পরে দিনে ২ বার এভাবে বাড়াতে বাড়াতে দিনে ৩ বার করে খেতে হবে ৷ তাহলে খুব ভাল ফল পাওয়া যাবে ৷ ত্বকে ব্যবহারের জনা তরল বী পোলেন বাহ্যিকভাবে দিনে ২ বার ব্যবহার করতে হবে ৷

সতর্কতা: বী পোলেনে কখনো তাপ দেয়া উচিত নয় ৷ কারন তাপে বী পোলেনের এনজাইম ও পুস্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায় ৷ সংরক্ষণ তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখতে হবে ৷

লেখক : ডায়েট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনসালট্যান্ট, ইজি ডায়েট বিডি লিমিটেড।

This post has already been read 535 times!

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*