২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০, ২১ জিলক্বদ ১৪৪১
শিরোনাম :

পাহাড়ি ঢালে নেপিয়ার ঘাস চাষ

Published at জুন ২০, ২০২০

মৃত্যুঞ্জয় রায় : পার্বত্য অঞ্চলে গো-পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাহাড়ে প্রচুর ঘাস ও লতাপাতা জন্মে। তাই এসব গবাড়িপশুর খাদ্যের খুব বেশি অভাব হয় না। তাই প্রাকৃতিকভাবে গোপালনের এশটি ধারা সেখানে গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ পাহাড়ি পার্বত্য ঢালে গরু ছেড়ে পালন করে। পাহাড়ের ঢালে জন্মানো ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে সেসব গরু বেঁচে থাকে। সাধারণত পাহাড়ি বনে এসব ঘাস জন্মে থাকে। দিন দিন পাহাড়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাড়ছে জুম চাষ। ফলে বনভূমি তথা গোখাদ্যের প্রাকৃতিক তৃণভূমি সংকুচিত হয়ে আসছে। পক্ষান্তরে জুম চাষের ফলে ভুমিক্ষয় বাড়ছে। ফলে অনেক বন্য প্রজাতির আগাছা, ঘাস, লতাপাতা এখন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এসব খেয়ে যেসব বন্য প্রাণিরা বেঁচে থাকে সেসব প্রাণি প্রজাতির সংখ্যাও তাই কমে যাচ্ছে যা পার্বত্য অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের জন্য এক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। জুম চাষের ফলে বনভূমি কমছে। ইতোমধ্যে গত কয়েক দশকে এশিয়ায় জুম চাষের ফলে বন উজাড় হয়েছে প্রায় ৫০%, আফ্রিকায় ৭০% ও লাতিন আমেরিকায় ৩০%।

পার্বত্য অঞ্চলের অধিকাংশ উপজাতি পাহাড়ে বাস করে ও পার্বত্য বনের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। একই পাহাড়ে তারা ঘর বাঁধে, জুম চাষ করে খাদ্য উৎপাদন করে, বন থেকে সবজি, ফল ও জ্বালানির কাঠ সংগ্রহ করে, বনের ঘাস-লতা খাইয়ে গরু ও শূকর পালন করে। তাই বন উজাড় হওয়া মানে এসব উপজাতিদের জীবনও বিপন্ন হওয়া। পাহাড়ি ঢালের ভূমিক্ষয় মানে জুম চাষের জমি কমে যাওয়া। ফলাফল স্থানীয়ভাবে খাদ্যের সংকট তৈরি হওয়া। তা ছাড়া বছরের সব সময় পাহাড়ে ঘাস ও লতাপাতা ভাল জন্মে না। বৃষ্টি হলে ভাল হয়, খরার সময় খটখটে শুকনো মাটিতে এসব ঘাস ও লতাপাতা শুকিয়ে যায়। তখন গবাদিপশুর খাদ্যের কিছুটা সংকট দেখা দেয়। প্রকৃতিকভাবে তখন গোখাদ্যের যোগান কঠিন হয়ে পড়ে। একদিকে বনভূমি কমে যাওয়া, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত। এই দুই পরিস্থিতি মোকাবেলায় পার্বত্য অঞ্চলে গবাদিপশুর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য এখন আধুনিক গোখাদ্য উৎপাদনের ঘাস চাষের দরকার হয়ে পড়েছে। ফিলিপাইনের পাহাড়ি এলাকা দাভাওদেল সুরে মিন্দানাও ব্যাপ্টিস্ট রুরাল লাইফ সেন্টারে এক গবেষণায় ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, আধুনিক ঘাসসমূহ চাষের ফলে পার্বত্য ভূমিক্ষয় কমেছে, জুমভূমির উর্বরতা বেড়েছে এবং গোখাদ্যের উৎপাদন বেড়েছে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশী গবেষকরাও বিষয়টি নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে গবেষণা করে ফলাফলের সত্যতা পেয়েছেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একদল গবেষক গবেষণা করে দেখেছেন যে, পাহাড়ি ঢালে নেপিয়ার (Pennisetum purpureum), অ্যান্ড্রেপোগান বা গায়ানা ঘাস (Andropogan gayanus) ও পারা ঘাস (Brachiria mutica) পাহাড়ের বিভিন্ন উচ্চতায় বেশ ভালোভাবে চাষ করা যায়। পাহাড়ের উঁচু, মাঝারি ও নীচু জায়গায় অর্থাৎ পাহাড়ি ঢালের যে কোনো অংশে এসব ঘাস জন্মানো যায়। প্রথম দুটি ঘাসের ফলন পাওয়া যায় বেশি। এসব ঘাস পাহাড়ের ঢালে চাষ করে চাষ করে গবেষকরা ফলন পেয়েছেন যথাক্রমে ২৯.৯ টন/হেক্টর ও ৩৭.৬ টন/হেক্টর। পারা ঘাসের ফলন পাওয়া গেছে ২০.৫ টন/হেক্টর। ফলনের ওপর পাহাড়ের উচ্চতা কোনো প্রভাব ফেলেনি। তাই পার্বত্য অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখা ও গোখাদ্যের যোগান বাড়ানোর জন্য এসব ঘাস চাষ শুরু করা উচিত। পাহাড়ি অঞ্চলে সমতল জমিতেও এ ঘাস চাষ করা যায়। রাস্তা ও ছড়ার ধারে নেপিয়ার জন্মে।

পাহাড়ের ঢালে চাষের জন্য নেপিয়ার ঘাস এসব ঘাসের মধ্যে সবচেয়ে উপযোগী যা খরা সইতে পারে ও প্রায় বিনা যত্নেই ভালো ফলন দেয়। সব ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার ঘাসের উৎপাদন তুলনামূলকভাবে বেশি (Anindo & Potter 1994)। এ ছাড়া নেপিয়ার ঘাস অন্যান্য পশুখাদ্য ফসল বিশেষ করে শিমগোত্রীয় পশুখাদ্য ফসলের সাথে মিশ্রভাবে চাষ করা যায়। এই ঘাস হাতির খুব প্রিয় খাবার। এ জন্য নেপিয়ার ঘাসকে ‘হাতি ঘাস’ বলে। নেপিয়ার ঘাসের জন্ম আফ্রিকায়। এ জন্য এর আর এক নাম ‘উগান্ডা ঘাস’। এর ইংরেজী নাম Napier grass. গত শতকের শেষ দিকে সাবেক রোডেশিয়ার (বর্তমানে জিম্বাবুয়ে) কৃষি বিভাগের জনৈক কর্মকর্তা কনেল নেপিয়ার পশুখাদ্য হিসেবে এই ঘাস ব্যবহারের সম্ভাব্যতার কথা প্রথম উল্লেখ করেন। তাই তার নাম অনুসারেই এ ঘাসের নাম হয় ‘নেপিয়ার ঘাস’ (Boonman, 1993). আমাদের দেশেও এই ঘাসকে নেপিয়ার ঘাস নামে সবাই চেনে।

উৎপত্তি ও বিস্তার
নেপিয়ার গাছের আদি বাসস্থান মধ্য আফ্রিকার তৃণভূমি। এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার অনেক দেশেই নেপিয়ার ঘাস চাষ করা হয়।

গাছের বর্ণনা
নেপিয়ার গাছ দেখতে অনেকটা আখ গাছের মত। এই ঘাসের গাছ অনেক লম্বা, গাছ না কেটে রেখে দিলে উচ্চতায় ২ থেকে ৪.৫ মিটার পর্যন্ত হয়। পাতা অন্য ঘাসের তুলনায় সরু, সবুজ, কিছুটা পশমযুক্ত, পাতার মধ্য শিরা শক্ত ও লম্বা। পাতার দৈর্ঘ্য ৩০ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থ ১ থেকে ৫ সেন্টিমিটার। লম্বা ডাটিতে সরু বিছার মত মঞ্জরীতে ফুল ও বীজ হয়। একবীজপত্রী ও বহুবর্ষী তৃণজাতীয় গাছ। একটি গাছের কা-ে প্রায় ২০টি গিঁট হয় (ঐবহফবৎংড়হ ্ চৎবংঃড়হ, ১৯৭৭). প্রতিটি গিঁট থেকেই শিকড় ও চারা বের হয়। তাই গিঁটসহ কা- কেটে লাগালে চারা বা নতুন গাছ হয়। নেপিয়ার একটি গভীরমূলী গাছ।

ব্যবহার
এই ঘাসের গাছ প্রথমে উগান্ডায় কফি ক্ষেতে মালচিং বা জাবড়া দেয়া এবং ভূমিক্ষয় রোধের জন্য ব্যবহার করা হত (Henderson & Preston, 1977)। কিন্তু বর্তমানে নেপিয়ার ঘাস প্রধানত: পশুখাদ্য ফসল হিসেবেই চাষ করা হয়। অধিক উৎপাদনশীলতার জন্য এই ঘাস গো-খামারিদের কাছে জনপ্রিয়। গরুও খেতে পছন্দ করে। কিন্তু এই ঘাস বেশি খাওয়ালে পশুর নাইট্রেট বিষাক্ততা হতে পারে। জ্বালানী হিসেবেও শুকনো নেপিয়ার ঘাস কাজে লাগে।  এছাড়া এ গাছ থেকে বায়োফুয়েল উৎপাদন করা যায়। ভারতের তামিলনাড়–তে গবেষণায় দেখা গেছে এক বছরে ১ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ১০০ টন বায়োমাস পাওয়া যায় যা থেকে ৪০০০ কিলোক্যালরি/কেজি হারে শক্তি বা এনার্জি উৎপাদন করা যায়। উত্তর আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে নেপিয়ার ঘাস ফসলের জৈবিক পদ্ধতিতে বালাই দমনে সক্ষম। ভূট্টার মাজরা পোকা দমনে নেপিয়ার ফাঁদ ফসল হিসেবে ব্যবহার করে সফলতা পাওয়া যায় (Ricarda 2006)। পাহাড়ের ঢালে ভূমিক্ষয় রোধে নেপিয়ার ঘাস লাগানো যেতে পারে। কেনিয়াতে ভূমিক্ষয় রোধে এ কাজ করা হয়।

উপযোগী জলবায়ু ও মাটি
বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে যেখানে সারা বছর সুষমভাবে বৃষ্টি হয় সেখানে নেপিয়ার ঘাস ভাল জন্মে। নেপিয়ার ঘাসের ভাল বৃদ্ধির জন্য বছরে গড়ে প্রায় ১০০০ মিলিমিটার বৃষ্টির দরকার হয়। তবে বছরে ৩ থেকে ৪ মাস খরাও নেপিয়ার সহ্য করতে পারে। কম তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি কম হয়। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২১০০ মিটার উঁচুতে এ গাছ জন্মালেও বৃদ্ধি ভাল হয় না। এ গাছের ভাল বাড়-বাড়তি ও ফলনের জন্য ২৫ থেকে ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা উত্তম (Russell & Webb, 1976)। অতিরিক্ত ঠা-ায় গাছ মারা যায়, ১০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের নিচে তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় (Bogdan, 1977). যে কোন মাটিতেই নেপিয়ার ঘাস জন্মে। তবে এঁটেল দোঁয়াশ ও বেলে দোঁয়াশ মাটিতে ভাল জন্মে। জলাবদ্ধতা ও বন্যা সহ্য করতে পারে না (Bogdan, 1977). তাই উঁচু জমি বা পাহাড়ের ঢালে নেপিয়ার গাছ লাগানো যায়। যে কোন উর্বর মাটিতে ভাল ফলন দেয় (Skerman & Riveros, 1990).

রোপণ
নেপিয়ার ঘাসের কাটিং বা মুথা লাগানো যায়। বয়স্ক গাছের গিঁটযুক্ত কা- টুকরো করে মাটিতে কাৎ করে পুঁতে দিলে সেই ঘিঁট থেকে শিকড় ও চারা বের হয়। প্রতিটি খ-ে ২ থেকে ৩টি গিঁট থাকলে ভাল হয়। জমি চাষ দিয়ে এসব কাটা কা- ৪৫ ডিগ্রী কোণ করে তেরছাভাবে গিঁট মাটির মধ্যে ঢুকিয়ে গোড়ার মাটি চেপে দিতে হয়। লাগানোর সময় মাটিতে যেন রস থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। আবার জমি চাষ দিয়ে ও সমান করে ৬০ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে নালা করে সে নালার মধ্যে গোটা গাছই শুইয়ে মাটি চাপা দিয়ে লাগানো যায়। এতে পরবর্তীতে গাছের প্রতিটি গিঁট থেকে চারা ওঠে। গোটা গাছের মোথাও লাগানো যায়। এ জন্য জমিতে ৯০ থেকে ১০০ সেন্টিমিটার পর পর গর্ত করে সে গর্তের মাটির সাথে মাটির সিকি থেকে অর্ধেক পুরমাণ গোবর সার মিশিয়ে পুরো মোথা রোপণ করা হয়। এতে প্রচুর মোথা লাগে বিধায় কা- কেটে কাটিং বা শাখাকলম পদ্ধতিতেই বেশি লাগানো হয়। তবে লক্ষ্য রাখা দরকার, যে গাছ থেকে কাটিং তৈরি করা হবে তার বয়স যেন কমপক্ষে ২৮ থেকে ৩০ সপ্তাহ হয়। একবার চাষ করলে ৩ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত ঘাস উৎপন্ন হয়।

সার ও সেচ প্রয়োগ
জমি চাষের সময় প্রতি শতাংশে ১২ থেকে ১৫ কেজি গোবর সার ভালভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া রাসায়নিক সারও জমি তৈরির সময় দিতে হবে। প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০০ গ্রাম টিএসপি এবং ১২০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। ঘাস লাগানোর ১ মাস পর শতাংশ প্রতি ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার এবং একই হারে প্রতি কাটিংয়ের পর ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার দুই সারির মাঝখানের মাটি আলগা করে প্রয়োগ করলে বেশ ভাল ফল পাওয়া যায়। প্রয়োজনে গ্রীষ্মকালে ১০ থেকে ১৫ দিন পরপর এবং শীতকালে ১৫ থেকে ২০ দিন বিরতিতে পানি সেচ দিলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়। তবে সাধারণত: নেপিয়ার চাষে জমি একেবারে শুকিয়ে না গেলে সেচ দেয়া হয় না।

বালাই ব্যবস্থাপনা
নেপিয়ার ঘাসও একটি ফসল। তাই অন্যান্য ফসলের মত নেপিয়ারও কিছু রোগ ও পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয়। রোগের মধ্যে ¯েœা মোল্ড বা সাদা ছাতা একটি অন্যতম ছত্রাকজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে পাতার উপরে ও কা-ে সাদা আবরণের মত দাগ পড়ে। বর্ষাকালে এ রোগ বেশি হয়। এ ছাড়া পাতায় লাল মরিচা দাগ পড়ে। এটিও একটি ছত্রাকজনিত রোগ। মাঝে মাঝে পুষ্পমঞ্জরীতে ঝুল রোগ দেখা যায়। আক্রান্ত অংশ ক্ষেতে দেখামাত্র তা তুলে ধ্বংস করা উত্তম। এরপরও রোগের আক্রমণ বেশি হলে ছত্রাকনাশক স্প্রে করা যেতে পারে। তবে এসব রাসায়নিক গবাদিপশুর স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে বিধায় তা না দেয়াই ভাল। পোকার মধ্যে কা-ের মাজরা পোকা অন্যতম শত্রু। দানাদার কীটনাশক যেমন ফুরাডান জমিতে ছিটিয়ে কা-ের মাজরা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

ঘাস কাটার নিয়ম ও ঘাসের উৎপাদন
চারা বা কাটিং রোপনের ২ থেকে ২.৫ মাস পরেই ঘাস কেটে খাওয়ান যায়। প্রথম কাটিং করার প্রায় ১ থেকে ১.৫ মাস পরপর ঘাস আবার কাটা যায়। একই জমি থেকে ৩ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত ঘাস যতœ করে কেটে খাওয়ান যায়। বছরে প্রায় ৮ থেকে ৯ বার ঘাস কাটা যায়। বছরে প্রতি শতক জমিতে ৬০০ থেকে ৮০০ কেজি ঘাস উৎপাদন হয়।

ঘাস খাওয়ানোর নিয়ম, সংরক্ষণ
ঘাস কাটার পর যেন শুকিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অপচয় রোধ করতে ৫ থেকে ৮ সেন্টিমিটার লম্বা করে কেটে পশুকে খাওয়াতে হবে। ঘাস নিম্নমানের খাদ্য অথবা খড়ের সাথে মিশ্রিত করে খাওয়ান যেতে পারে। কাঁচা সবুজ ঘাস ছোট ছোট খ- বা চপিং করে শুকনা মৌসুম অথবা খাদ্য সংকটের সময় সাইলেজ করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

তথ্য সহায়তা:

  1. Dr. Ricarda Steinbrecher, Testimony to Agriculture and Forestry Committee of Senate of Canada, 5 December 2006.
  1. http://www.thehindu.com/sci-tech/agriculture/article3408600.ece
  2. FAO Animal Feed Resources Information System: Pennisetum purpureum
  1. A.B. Orodho. 2006. The role and importance of Napier grass in the smallholder dairy industry in Kenya.
  2. Acland, J.D. 1971. East African Crops. Longman.
  3. Anindo D.O. & Potter, H.L.1994. Seasonal variation in productivity and nutritive value of Napier grass at Muguga, Kenya. E. Afrc. Agric. For. J. 59:177-185.
  4. Anindo D.O. & Potter,H.L. 1986. Milk production from Napier grass (Pennisetum purpureum) in a zero grazing feeding system. E. Afri.Agrc. For.J.52:106-111.
  5. Anon. 1987. Fertilizer Use Recommendation Project: Description of the first priority sites in the various districts (Muranga District). Report 21. Ministry of Agriculture. National Laboratories, Kenya.
  6. Bogdan, A.V.,1977. Tropical pastures and fodder plants. Longman, London.pp.475.
  7. Orodho, A.B. & S.Ajanga. 2002. Napier grass stunting disease in Western Kenya: Disease identification and screening of local Napier grass germplasm for resistance. A paper presented to the joint meeting of KARI (Kenya Agricultural Research Institute) and Ministry of Agriculture and Rural Development Senior Management. KARI Report. 14pp.
  8. Orodho, A.B. 1990. Dissemination of Research technology on forages and agricultural by-products in Kenya. In: B.H. Dzowela, N.N Said, Asrat Webden-Agenehu & J.H. Kategile (eds) Utilization of research results on forages and agricultural by-products materials as animal feed resources in Africa. Proceedings of the first joint workshop held in Lilongwe, Malawi 5-9 December 1998 by Pasture Network for Eastern and Southern Africa (PANESA) and African Research Network for Agricultural By-products (ARNAB).
  9. Skerman, P.J. & Riveros, F. 1990. Tropical Grasses. FAO, Rome. pp.832.

This post has already been read 660 times!

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN