\ কৃষকরা আমাদের স্পন্দন, দেশের হৃৎপিন্ড -সুস্মিতা আনিস | Agrinews24
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৪ মে ২০১৯, ১৯ রমযান ১৪৪০
শিরোনাম :

কৃষকরা আমাদের স্পন্দন, দেশের হৃৎপিন্ড -সুস্মিতা আনিস

Published at মে ৪, ২০১৯

এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড বাংলাদেশের কৃষি সেক্টরে একটি অন্যতম বৃহৎ এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। দেশের কৃষির আধুনিকায়ন এবং ভিন্নধর্মী নানা উদ্যোগের জন্য প্রতিষ্ঠানটির সুনাম এবং স্বতন্ত্র এক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ড, কৃষি ও কৃষকের বর্তমান সমস্যা ও করণীয় এবং উন্নয়নে উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি খুঁটিনাটি নানা বিষয় নিয়ে এগ্রিনিউজ২৪.কম এর সাথে কথা হয় এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুস্মিতা আনিস এর সাথে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এগ্রিনিউজ২৪.কম -এর সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মো. খোরশেদ আলম (জুয়েল), শ্রুতি লিখনে ছিলেন সহকারি সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম সোহেল। সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরা হলো-

এগ্রিনিউজ২৪.কম: এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড সম্পর্কে জানতে চাই?

সুস্মিতা আনিস: আমাদের প্যারেন্ট কোম্পানি, বর্তমানে যেটি এসিআই লিমিটেড নামে পরিচিত তার পূর্ব নাম ছিল আইসিআই। ১৯৯২ সালে আইসিআই থেকে এসিআই নামকরণ করা হয়। আইসিআই এর ফ্যাক্টরি ছিল নারায়ণগঞ্জে। সেখানে শুধু মানব স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঔষধ তৈরি করা হতো। ১৯৮৬ সনে গাজীপুরে এসিআই ফরমুলেশনস লি. -এর ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হয়। ২০০৫ সালে এসিআই ফরমুলেশনস লি. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে অনুমোদন পায়। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের জন্য কাজ করা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী এসিআই ফরমুলেশনস লি. এর মোট শেয়ারের ৫৯.২০% রয়েছে ক্রপ কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইউনিটের, বাকী অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে মশার কয়েল (১১.৯৫%), টয়লেট ক্লিনার (১.৫১%), এ্যারোসল (১৭.৯৩%) এবং পেইন্ট (৯.৪১%) ।

বর্তমানে দেশের কৃষির বাজারমূল্য প্রায় ৩ হাজার বিলিয়ন টাকা। দেশে এগ্রো কেমিক্যাল শিল্প প্রতিবছর ৫% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে; যেখানে এসিআই ক্রপ কেয়ারের CAGR রয়েছে ১৮%। বর্তমানে এই খাতে ২৫০টিরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে আমাদের মার্কেট শেয়ার ১১%। দানাদার কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ক্যাটাগরিতে দেশের বাজারে আমরা নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থানে রয়েছি ।

দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে আমরাই সর্বপ্রথম ISO: 9001 সার্টিফিকেট অর্জন করি। পরবর্তীতে পরিবেশ সুরক্ষার তাগিদে ISO:14001 সনদ অর্জন করি। আমরা সবসময় চেষ্টা করি আমাদের কোম্পানীর প্রত্যেক সদস্যের মেধা, জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে আমাদের পণ্যের গুণগত মান ঠিক রাখার । এসিআই সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তি এনে ক্রমান্বয়ে আমাদের সিস্টেম এবং প্রসেসকে উন্নত করার চেষ্টা করি।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এসিআই ফরমুলেশনস লি. যোগদান করেছেন কত সনে?

সুস্মিতা আনিস: মূলত ২০০০ সালে আমি প্রথমে এসিআই লি.-এ পরিচালক হিসেবে এসিআই বোর্ডে যোগদান করি। ২০১২ সালে আমি এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড -এর এমডি হিসেবে দায়িত্ব নেই এবং এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছি।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: দেশের কৃষি ও কৃষকদের নিয়ে এসিআই ফরমুলেশনস লি. ও আপনার চিন্তাভাবনার ব্যাপারে জানতে চাই?

সুস্মিতা আনিস: শুধু ব্যবসা নয়, এসিআই সবসময় দেশের কৃষি ও কৃষকের স্বার্থের কথা চিন্তা করে। আমাদের পরিকল্পনাতে সবসময় থাকে কিভাবে এদেশের কৃষির আধুনিকায়ন করা যায় । আমরা এদেশের কৃষকদের সমৃদ্ধশালী হিসেবে দেখতে চাই। কৃষকের ফসলের উৎপাদন বাড়ানো আমাদের লক্ষ্য, যাতে সে অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হয়।

আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, এদেশের কৃষককে কিভাবে তাদের পরিশ্রমে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য দেয়া যায়। তারা যেন ফসল চাষ করে এবং বাজারে সেই ফসল বিক্রি করে লাভবান হতে পারে, স্বাবলম্বী হতে পারে, তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আমরা কাজ করছি।

আমি সব সময় আমাদের কৃষকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করি। একটা দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে, তাদের কাছাকাছি থেকে তাদেরকে লাভবান করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি ।

দিন দিন কিন্তু দেশের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। অপরদিকে আমাদের চাষাবাদের জমি ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। এজন্য আমাদের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশের প্রোডাক্টিভিটি এখনও অনেক কম। তাই আমাদের উৎপাদন আরো বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। এ ব্যাপারে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: আপনার নিশ্চয়ই দেশের মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সাথে সরাসরি কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। এক্ষেত্রে তাদের মূল সমস্যা বা ভুলটা কোথায় আছে বলে মনে করেন?

সুস্মিতা আনিস:  আমাদের কৃষকরা অনেক সময় খুব দ্রুত ফলাফল দেখতে চায়, যেমন- জমিতে বালাইনাশক ব্যবহার করে পরের দিনই তার প্রভাব দেখতে চায়। সেক্ষেত্রে অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডোজের আগাছানাশক দেয়া হয়। তারা মনে করেন, এতে করে তাদের চাষকৃত ফসল বেশি সুরক্ষিত থাকবে। ফলে না বুঝেই লেবেলের নির্দেশিকা না মেনে ঘন ঘন স্প্রে করে। এতে করে তারা আর্থিকভাবে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি ফসলকে করে তুলে অনিরাপদ।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: এক্ষেত্রে কৃষকদের সচেতন করার জন্য আপনাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ রয়েছে?

সুস্মিতা আনিস: অবশ্যই। আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই আমরা এটি করে থাকি। তাছাড়া আমরা মনে করি, টেকসই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য কৃষকদের শিক্ষিত ও সচেতন করে তোলার কোন বিকল্প নাই। এজন্য এসিআই’র পক্ষ থেকে পণ্যের বিভিন্ন প্রদশনী ও মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারনাতো রয়েছেই । আমাদের মাঠকর্মীরা তাদের কাছে যেয়ে হাতে কলমে বুঝিয়ে দেন অনেক কিছু ।

আপনারা নিশ্চয় জানেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন যারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ ও সেবা প্রদান করে থাকেন। আমরাও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মিলে এসিআই ক্রপ কেয়ার বালাইনাশকের সঠিক ব্যবহার শিক্ষা দেয়। আমাদের ব্যবসায়িক সংগঠন বিসিপিএ (Bangladesh Crop Protection Association) একই কাজ স্বতন্ত্রভাবে করছে । সারাদেশে আমাদের ১ হাজারেরও বেশি মাঠকর্মী রয়েছে। আমরা ‟ফসলি” নামে একটা মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছি যা কৃষকদের জন্য খু্বই যুগপযোগী। এই মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা আগে থেকেই জানতে পারবে কখন বৃষ্টি হবে, বাতাসে আজকের আর্দ্রতা কেমন হবে, কোনো ফসলের পাতার রং পরিবর্তন হলে কি করতে হবে ইত্যাদি নানা খুঁটিনাটি বিষয় তারা আগাম জানতে পারবে এবং তার সমাধানও পাবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। সমস্ত কিছু তারা এই এ্যাপ থেকেই জানতে পারবে। এজন্য আমাদের রয়েছে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ কর্মীবাহিনী। তারা মাঠে গিয়ে কৃষকদেরকে হাতে ধরে বুঝিয়ে দেয় কিভাবে কি করতে হবে। বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই এই উদ্যোগ নিয়েছি।

আমাদের মাঠকর্মীরা সরাসরি কৃষকদের সাথে কাজ করে। আমরা প্রতি বছর কৃষকদের নিয়ে প্রদশনী ও মাঠ দিবসের আয়োজন করি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসেও এই ধরনের কাযক্রম হয়ে গেলো। আমি সেখানে নিজেও উপস্থিত থাকি।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: পেস্টিসাইড বা কীটনাশক -এর ক্ষতিকারক দিক নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য জানতে চাই?

সুস্মিতা আনিস: দেখুন, আমরা যদি ফসলে বালাইনাশক ব্যবহার না করতাম তাহলে কিন্তু আমাদের প্রায় ৪০% ফসল নষ্ট হয়ে যেতো। সমস্যাটা কিন্তু পেস্টিসাইড বা বালাইনাশক নয়, সমস্যাটি হচ্ছে এর সঠিক ও নিয়মতান্ত্রিক ব্যবহারের। আমাদের বুঝে শুনে বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। যেমন- একজন মানুষ যখন অসুস্থ হয় সে কিন্তু ডাক্তারে কাছে যায়। ডাক্তার তাকে রোগের ধরন বুঝে ঔষধ দেয়। সে ওষুধও কিন্তু এক প্রকারের বিষ। কিন্তু সেটাকে যদি সঠিক নিয়ম মেনে কোন রোগী খায় বা ব্যবহার করে তাহলে সে সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু সে যদি একবারেই এক বোতল একসাথে খেয়ে ফেলে তাহলে কি তার অসুখ ভালো হবে? উল্টো সে মারা যাবে।

সুতরাং, আমাদের কৃষকদের বুঝেশুনে ফসলের জমিতে ঔষধ দিতে হবে। কীটনাশকের বোতল ও প্যাকেটের গায়ে লেবেলে লেখা নিয়ম সঠিকভাবে চর্চা করতে হবে। কীটনাশক ব্যবহারের পর প্রি-হারভেষ্ট ইন্টারভ্যাল/ অপেক্ষামান কাল মেনে চলতে হবে। তাহলেই তাদের ফসল ভালো হবে এবং মানুষ নিরাপদ একটা ফসল বা সবজি পাবে।

তবে আমরা ফসলের রোগ-বালাই দমনের জন্য জৈব বালাইনাশক আমাদের পণ্য সম্ভারে অন্তর্ভুক্ত করছি। ফলে রাসায়নিক বালাইনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশক দিয়ে বালাই দমন সম্ভব হবে। কিন্তু এটা তো একদিনেই সম্ভব না। ধীরে ধীরে করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার এবং আরো যে কোম্পানিগুলো আছে তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে তাদের সাথে আমরা প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে টিকে আছি । এটা কিন্তু সহজ কাজ  না ।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: আমাদের দেশে পেস্টিসাইড পুরোটাই প্রায় আমদানি নির্ভর। আপনাদের মতো বৃহৎ পুঁজির কোম্পানিগুলো নিজেরাই উৎপাদন করতে সমস্যাটা কোথায় তাহলে?

সুস্মিতা আনিস: অনেক দিন ধরেই আমরা টেকনিক্যাল ম্যাটেরিয়েল আমদানী করে আমাদের ফ্যাক্টরীতে বালাইনাশক ফরমুলেশন করছি। আমাদের দেশে টেকনিক্যাল আইটেম প্রস্তুত করা ঝুঁকি সাপেক্ষ কারন আমাদের দেশ অত্যন্ত জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ। টেকনিক্যাল আইটেম উৎপাদনের জন্য কারিগরী জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবলের দরকার যা আমাদের দেশে অভাব রয়েছে। এছাড়াও টেকনিক্যাল আইটেমের সাথে উৎপাদিত বর্জ্য শোধন অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমরা বিষয়টি নিয়ে সমীক্ষা চালাচ্ছি।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: আমাদের কৃষকদের আপনি কীভাবে এবং কোন পর্যায়ে দেখতে চান?

সুস্মিতা আনিস: আমি কৃষকদের লাভবান দেখতে চাই। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেনা -এটি আমাকে কষ্ট দেয়। আমি চাই তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে। খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং কৃষকের সহযোগী হয়ে কাজ করতে চাই আমি। সব সময় তাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। কৃষকের মুখে সুখের হাসি দেখতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাদের ছেলেমেয়েরা আরো উপরে উঠে আসুক। এর মধ্যে একটা প্রাণ আছে । কৃষকরা আমাদের স্পন্দন, দেশের হৃৎপিন্ড।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: দেশের সার্বিক কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে কি করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

সুস্মিতা আনিস: আমাদের মনে রাখতে হবে, একার পক্ষে কারো কিছুই করা সম্ভব না। এক্ষেত্রে পাবলিক এবং প্রাইভেট সেক্টর যৌথভাবে কাজ করতে হবে। তাছাড়া আমি মনে করি যদি কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এক সাথে কৃষি সেক্টরের জন্য কাজ করে তাহলে আমাদের দেশের কৃষি আরো দ্রুত উন্নত হবে এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্যমূল্য পাবে। যারা এগ্রিবিজনেস নিয়ে কাজ করেন তারা যদি একটা টার্গেট অরিয়েন্টেড নিয়মে কাজ করে তাহলে কিন্তু একটা ভালো কিছু করা সম্ভব ।

এগ্রিনিউজ২৪.কম: মূল্যবান সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

সুস্মিতা আনিস: আপনাকেও ধন্যবাদ।

This post has already been read 1516 times!

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Fixing WordPress Problems developed by BN WEB DESIGN